চট্টগ্রাম, , শনিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৮

রাতে তৃতীয় স্থানের জন্য লড়বে ইংল্যান্ড-বেলজিয়াম

প্রকাশ: ২০১৮-০৭-১৪ ১৪:০৮:১২ || আপডেট: ২০১৮-০৭-১৪ ১৮:৪২:৩৭

রাশিয়া বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হবার রেসে সব বাধা এড়িয়ে অনেকটা পথ এসেছে ইংল্যান্ড-বেলজিয়াম। গ্রুপ পর্বে দারুণ খেলেই নক-আউট পর্বে আসে দুইদল। ৫২ বছর অপেক্ষার পর নিজেদের দ্বিতীয় শিরোপার খোজে ছিল ইংলিশরা আর প্রথম বারের মত স্বপ্নের শিরোপা ছুঁয়ে দেখার জন্য মরিয়া ছিল বেলজিয়ামের সোনালি প্রজন্ম।

কিন্তু সেমিফাইনালে ফ্রান্স এবং ক্রোয়েশিয়ার কাছেই সমাপ্তি ঘটে দুই প্রজন্মের শিরোপার স্বপ্ন। সব প্রত্যাশাকে পেছনে ফেলে আজ তৃতীয় স্থানের জন্য আবারও মাঠে নামবে দুই দল। সেন্ট পিটার্সবার্গে দুই সেমিফাইনালিস্ট মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ সময় রাত আটটায়।

নিজেদের ইতিহাসের সেরা স্কোয়াড নিয়েই বিশ্বকাপের মঞ্চে এসছিল বেলজিয়াম। তাদের ছিল হ্যাজার্ড, কেভিন ডি ব্রুইন ও রোমেলো লুকাকুর মতো দারুণ কিছু মেধাবী খেলোয়াড়। টুর্নামেন্টের হট ফেবারিট দল ব্রাজিলকে কোয়ার্টার বিদায় করে নিজেদের শক্তির প্রমাণও করেছে বেলজিয়ামের এই প্রজন্ম। কিন্তু সেমিতে এসে ফ্রান্সের কাছে শেষ রক্ষা আর হলো না। পারলো না রবার্তো মার্টিনেজের শিষ্যরা। স্যামুয়েল উমতিতির গোলে ফ্রান্সের কাছে ১-০ গোলে হেরে শিরোপা লড়াই থেকে ছিটকে যেতে হলো রেড ডেভিলসদের।

অপরদিকে প্রতিপক্ষ ক্রোয়েশিয়াকে ভেবে ফাইনালে উঠার স্বপ্নের বিভোর ছিল ইংল্যান্ডও। কিন্তু কে জানতো এই ক্রোয়েশিয়াই তাদের বিদায় করে দিবে। সেমিফাইনালে ক্রোয়াটদের কাছে প্রথমে এগিয়ে থেকেও পারলো না সাউথগেটের দল। মদ্রিচদের কাছে ২-১ গোলের ব্যবধানে হেরে বাদ পড়তে হলো থ্রি লায়ন্সদের।

এর আগে ২০১৪ সালের বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালে বিদায় নিতে হয়েছিল বেলজিয়ামকে। ২০১৬ সালের ইউরোতেও ঘটে একই ঘটনা। আর এবার আরো একটি স্বপ্নের কাছে ব্যর্থ তারা। পারলো না নিজেদের স্বপ্নের এতটা কাছে এসে শিরোপা ছুঁতে। বিশ্বকাপে এ নিয়ে দ্বিতীয়বার তৃতীয় স্থান নির্ধারণী খেলায় নামছে বেলজিয়াম। আগেরটি ছিল ১৯৮৬ সালে। সেবার তারা ফ্রান্সের কাছে ৪-২ গোলে পরাজিত হয়েছিল। তবে এবার আর ভুল করতে চায় না বেলজিয়াম। তৃতীয় সেরা দল হয়ে দেশের ফেরার লক্ষ্যই এখন রেড ডেভিলসদের।

অপরদিকে ১৯৬৬ সালে প্রথম শিরোপা জিতেছিল ইংল্যান্ড। এরপর ১৯৯০ সালে সেমিফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছাতে পেরেছিল তারা। এরপর ২৮টি বছর অপেক্ষা করেও এবার পারল না ফাইনালে যেতে। ফাইনালে না উঠতে পারা ইংলিশদের সামনে আর একটি সুযোগ। সেটি হলো তৃতীয় বিশ্বসেরা হওয়া। তৃতীয় স্থান নিয়েই দেশের মানুষদের আনন্দ দিতে চান সাউথগেটের শিষ্যরা।