চট্টগ্রাম, , বুধবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৮

মেয়াদোত্তীর্ণ ড্রাগ লাইসেন্সে চলছে ম্যাক্স হাসপাতাল

প্রকাশ: ২০১৮-০৭-০৮ ১৬:১৮:০৬ || আপডেট: ২০১৮-০৭-০৯ ১১:২৯:২৫

অদক্ষ জনবল ও মেয়াদোত্তীর্ণ ড্রাগ লাইসেন্স দিয়েই চট্টগ্রামের ম্যাক্স হাসপাতাল পরিচালনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। রোববার (৮ জুলাই) দুপুরে চিকিৎসকের অবহেলায় শিশু রাইফা মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতালে অভিযান শুরু হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম জানান, র‌্যাব, ওষুধ প্রশাসন এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের নিয়ে হাসপাতালের ল্যাবে ব্যবহৃত বিভিন্ন চিকিৎসা সরঞ্জাম পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন তারা। এসময় অদক্ষ জনবল দিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

এছাড়া ড্রাগ লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরও নবায়ন করা হয়নি বলেও জানান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্র্রেট। এদিকে, শিশু রাইফা মৃত্যুর ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পাওয়ায় গতকাল ডা. দেবাশীষ সেনগুপ্তকে চাকরি থেকে অব্যাহতি এবং চিকিৎসক শুভ্র দেবকে নোটিশ দেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। গত ২৯ জুন রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ম্যাক্স হাসপাতালে মারা যায় সাংবাদিক কন্যা শিশু রাফিদা খান রাইফা।

পরের ধনে পোদ্দারি ম্যাক্স হাসপাতালের

নগরীর ম্যাক্স হাসপাতালের প্যাথলজি বিভাগে কোনো পরীক্ষাগার নেই বলে জানিয়েছে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ অাদালত। প্রতিষ্ঠানটি অন্যের ল্যাব থেকে পরীক্ষা করা রিপোর্ট নিজেদের নামে চালিয়ে দেয় বলে জানা গেছে।

এছাড়া রিপোর্ট যে সব চিকিৎসকের স্বাক্ষর দেয়া হয়, সেগুলো জাল বলে জানা গেছে।

ভ্রাম্যমাণ অাদলতে নেতৃত্ব দেয়া ম্যাজিস্ট্রেট সরোয়ার সাংবাদিকদের জানান, ম্যাক্স হাসপাতাল কোনো পরীক্ষাগার নাই। বাইরের ল্যাব থেকে তারা পরীক্ষা করে এনে নিজেদের নামে চালিয়ে দেয়। এছাড়া চিকিৎসকদের স্বাক্ষর করে তারা।

এদিকে রোববার সকালে ম্যাক্স হাসপাতালে অভিযান শুরু করে। অভিযানে বিপুল পরিমাণ র্যাব সদস্য ও প্রশাসনের লোকজন উপস্থিত ছিলেন

এরআগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ম্যাক্স হাসপাতালে ১১টি ত্রুটির খোঁজ পাই। পরে প্রতিষ্ঠানটি কে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয় অধিদপ্তর।

অপরদিকে শুক্রবার (২৯ জুন) ম্যাক্স হাসপাতালে শিশু কন্যা রাইফার ভুল চিকিৎসা ও অবহেলায় মৃত্যুর অভিযোগ উঠে। এরপর থেকে একের পর এক অভিযোগ উঠে অাসতেছে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে।