চট্টগ্রাম, , বৃহস্পতিবার, ২২ নভেম্বর ২০১৮

চমেকে বেসরকারি ক্লিনিকের প্যাড ব্যবহারে শাস্তি!

প্রকাশ: ২০১৮-০৭-০৫ ১২:৪৮:১০ || আপডেট: ২০১৮-০৭-০৫ ১৭:২৪:৪৩

চট্টগ্রামের মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কোনো ওয়ার্ডে থেকে রোগীদেরকে বেসরকারি ক্লিনিক বা প্যাথলজি সেন্টারের প্যাডে পরীক্ষা বা ওষুধ লিখে দেয়া যাবে না। আজকের পর কেউ যদি লিখেন সাথে সাথে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এমনকি অপরাধ বিবেচনায় চাকরিচ্যুত করা হবে।

বুধবার দুপুর দুইটার পর চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সেবা ও চিকিৎসা বিষয়ে সেবা গ্রহীতার পরামর্শ ও অভিযোগের উপর গণশুনানীতে একথা বললেন চমেক উপ-পরিচালক মো. আখতারুল ইসলাম।

এর আগে এক সেবাগ্রহীতা গণশুনানীতে সরাসরি অভিযোগ করেন, সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক কেন বেসরকারি প্যাথলজির প্যাডে ওষুধ ও পরীক্ষা লিখে দিচ্ছেন। আবার যে প্যাথলজির প্যাডে পরীক্ষা লিখে দিচ্ছেন, ওই প্যাথলজিতে পরীক্ষা না করালে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকরা পরীক্ষাপত্র গ্রহণ করছেন না। এমন কেন হচ্ছে জানাতে চান সেবা গ্রহীতা কার্ডিওলজি বিভাগে চিকিৎসাধীন এক রোগীর অভিভাবক সরোয়ার আহমেদ।

তার এই প্রশ্নের জবাবে হাসপাতালের উপ-পরিচালক বলেন, আমরা চমেক হাসপাতালে চিকিৎসকদেরকে নির্দেশনা দিয়েছি এখন থেকে আর বেসরকারি প্যাথলজির প্যাডে পরীক্ষা না লিখতে। যে পরীক্ষা হাসপাতালে সম্ভব রোগীর অভিভাবকরা চাইলে হাসপাতালে করাতে পারবেন। অনেক পরীক্ষা চমেক হাসপাতালে করা হয় না। সে সব পরীক্ষা রোগীর অভিভাবকদের ইচ্ছা অনুযায়ী বাহির থেকে করে আনবেন। এই ব্যাপারে আমরা এখনই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলাম এবং তা ড্রাফ করে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডে দায়িত্ব চিকিৎসক এবং নার্সদেরকে পাঠিয়ে দিচ্ছি।

চমেক উপ-পরিচালক আরও বলেন, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিজস্ব প্যাড রয়েছে। বাহিরের প্যাড ব্যবহার করতে হবে না। আজই হাসপাতালের প্যাড প্রত্যেক ওয়ার্ডে হাজার হাজার প্যাড পাঠিয়ে দিব। এসব প্যাড ব্যবহার করতে হবে।

এছাড়া দুইজন কর্মচারী দিয়ে প্রত্যেক ওয়ার্ড থেকে বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক বা প্যাথলজির সমস্ত প্যাড এনে মেডিকেলের সামনে আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দিব।

এক রোগীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে হাসপাতালেল ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডে চুক্তিভিত্তিক কাজ করা এক কর্মচারীকে রোগীর স্বজনদের সাথে খারাপ আচরণ করার অভিযোগ সরাসরি আমলে নিয়ে তাকে চাতরিচ্যুত করা হবে বলে পরিচালক জানিয়েছেন।