চট্টগ্রাম, , মঙ্গলবার, ২০ নভেম্বর ২০১৮

সেপ্টেম্বরে আসছে ‘বাংলার জয়যাত্রা’

প্রকাশ: ২০১৮-০৭-০৪ ২০:০১:৩১ || আপডেট: ২০১৮-০৭-০৫ ১১:২০:৩৪

বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের (বিএসসি) বহরে যুক্ত হচ্ছে চীনে নির্মিত নতুন জাহাজ ‘এম ভি বাংলার জয়যাত্রা’। একই সঙ্গে এই বছরের শেষের দিকে নৌ বহরে আরও পাঁচটি জাহাজ যুক্ত হবে।

৩৯ হাজার ডেড ওয়েট টন (ডিডব্লিউটি) ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন বাল্ক ক্যারিয়ারের ‘বাংলার জয়যাত্রা’ জাহাজটি চায়না ন্যাশনাল মেশিনারি ইমপোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট কর্পোরেশন (সিএমসি) তৈরি করেছে। চীনের জিয়াংসু প্রদেশের ওয়াক্সি শহরে সিএমসির শিপইয়ার্ড ‘জিয়াংসু নিউ ইয়াংজি শিপবিল্ডিং কোম্পানি লিমিটেডে’এটি নির্মিত হয়েছে বলে জানিয়েছে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়।

গত এপ্রিলে ওই শিপইয়ার্ডে জাহাজটির লঞ্চিং ও নামকরণ হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন নৌ পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান। প্রতিনিধি দলে ছিলেন বিএসসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমডোর ইয়াহইয়া সৈয়দ, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এম. এম. তারিকুল ইসলাম, যুগ্ম-প্রধান রফিক আহমেদ সিদ্দিকী এবং বিএসসি’র পরিচালক (কারিগরি) মোহাম্মদ সায়েদ উল্লাহ। নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, চীন সরকারের আর্থিক সহায়তায় ১ হাজার ৮৪৩ কোটি টাকা ব্যয়ে বিএসসি’র জন্য ছয়টি জাহাজ সিএমসি নির্মাণ করছে। এতে চীন সরকার দিচ্ছে ১ হাজার ৪৪৮ কোটি এবং বিএসসি দিচ্ছে ৩৯৫ কোটি টাকা। ছয়টি জাহাজের মধ্যে তিনটি অয়েল ট্যাংকার ও তিনটি বাল্ক ক্যারিয়ার। প্রতিটির ধারণ ক্ষমতা ৩৯ হাজার ডিডব্লিউটি।

বাংলার জয়যাত্রাসহ দুটি জাহাজের ট্রায়াল রান হয়েছে আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে দেশে আসবে। বাকি চারটি আগামী অক্টোবর-নভেম্বরে আসবে। পাশাপাশি এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে আরও ছয়টি জাহাজ কেনার পরিকল্পনা করেছে সরকার বলে জানিয়েছেন নৌ সচিব মো.আবদুস সামাদ।

বাকি জাহাজগুলো হলো ‘বাংলার সমৃদ্ধি’,‘বাংলার অর্জন’, বাংলার অগ্রযাত্রা’, ‘বাংলার অগ্রদূত’ ও ‘বাংলার অগ্রগতি’। মন্ত্রণালয়টির কর্মকর্তারা জানান, বিএসসির বহরে এক সময়ে ৩৬টি জাহাজ ছিল, বর্তমানে রয়েছে মাত্র দুইটি-বাংলার অগ্রযাত্রা ও বাংলার অর্জন।

জাহাজগুলো আসলে নৌ পরিবহনে নতুন মাত্রা যোগ হবে বলে আশা করছেন নৌ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।