চট্টগ্রাম, , সোমবার, ১০ ডিসেম্বর ২০১৮

মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে সতর্ক করলেন ওবায়দুল কাদের

প্রকাশ: ২০১৮-০৬-২৯ ২২:১৬:০৪ || আপডেট: ২০১৮-০৬-২৯ ২২:১৬:০৪

জনগণের মাঝে বিরুপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয় এমন মন্তব্য থেকে মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাটকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

শুক্রবার (২৯ জুন) দুপুরে পদ্মাসেতুর পঞ্চম স্প্যান বসানোর কার্যক্রম পরিদর্শনকালে এলাকায় গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাটের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদর বলেন, ‘বাংলাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে এটা অন্য কারো পরামর্শে নয়; এটি আমাদের নিজেদেরই দায়িত্ব। আমাদের সংবিধান অনুযায়ী আমাদের নির্বাচন কমিশন স্বাধীন কর্তৃত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে, সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করবে।’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘কোনো প্রকার ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত না করে আমি শুধু এটুকুই বলব, আমাদের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরাজমান যেই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, সেই সম্পর্ক যেন ক্ষুণ্ণ বা ক্ষতিগ্রস্ত না হয় এবং উভয় দেশের জনগণের মধ্যে কোনো প্রকার বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি না করে, সে ব্যাপারে যেকোনো রকম আচরণ বা মন্তব্য দেয়ার সময় আমাদের সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে, বন্ধুত্বের স্বার্থে। আমরা কিন্তু পৃথিবীর অন্য কোনো দেশের নির্বাচন নিয়ে, অভ্যন্তরীণ ব্যাপার নিয়ে কোনো কথা, কোনো দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য আমরা কখনো দিই না।’

তিনি বলেন, পদ্মাসেতুর ৫৬ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। স্বপ্নের পদ্মাসেতুতে পঞ্চম স্প্যান বসানোর কাজ চলছে। শরীয়তপুরের জাজিরার নাওডোবা প্রান্তের ৪১ ও ৪২ নম্বর পিলারের ওপর স্প্যানটি বসানো হচ্ছে। এর মধ্যদিয়ে দৃশ্যমান হচ্ছে সেতুর ৭শ’ ৫০ মিটার অংশ। চতুর্থ স্প্যান বসানোর এক মাস পর বসানো হচ্ছে পঞ্চম স্প্যানটি।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (২৮ জুন) গাজীপুর সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের অনিয়মের অভিযোগের ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করে মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাট ‘গাজীপুর সিটি নির্বাচন নিয়ন্ত্রণ করার যেসব অভিযোগ এসেছে, সে ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্র উদ্বিগ্ন। এসব অভিযোগের মধ্যে আছে ব্যালট বাক্স ভরে দেয়া, ভোটের দিন ও আগে পোলিং এজেন্ট এবং রাজনীতি সংশ্লিষ্টদের ভয়ভীতি দেখানো। নির্বাচনের সপ্তাহে বিরোধী রাজনীতিবিদ ও কর্মীদের যেভাবে পুলিশি হয়রানি গ্রেফতার করা হয়েছে, সে ব্যাপারেও আমরা আরও উদ্বিগ্ন।’

জাতীয় নির্বাচন নিয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘জনগণের চাওয়া অনুযায়ী সরকার দেশে অবাধ, সুষ্ঠু, বিশ্বাসযোগ্য এবং অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন করার ব্যাপারে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। আমরা দেখতে চাই, সরকার তার প্রতিজ্ঞা রাখতে চায়।’