চট্টগ্রাম, , সোমবার, ১০ ডিসেম্বর ২০১৮

কক্সবাজারে শূন্যরেখায় মায়ানমার সীমান্তরক্ষীদের গুলি

প্রকাশ: ২০১৮-০৬-২৮ ১৯:৪৪:২৯ || আপডেট: ২০১৮-০৬-২৮ ১৯:৪৪:২৯

বাংলাদেশ-মায়ানমার সীমান্তের তুমব্রু শূন্যরেখায় অবস্থান করা রোহিঙ্গাদের ওপর গুলি চালিয়েছে মায়ানমারের বিজিপি। এতে শূন্যরেখায় আশ্রয় নেয়া আনসার হোসেন নামের এক রোহিঙ্গা গুলিবিদ্ধ হয়েছে। তার বাবার নাম জমির হোসেন।

বৃহস্পতিবার দুপুর ৩টার দিকে মায়ানমারের বিজিপি এই গুলি চালায়। এই ঘটনায় শূন্যরেখায় অবস্থান করা রোহিঙ্গাদের মাঝে আতংক বিরাজ করছে। গুলিবর্ষণের পর অনেক রোহিঙ্গা বাংলাদেশের সীমানায় আশ্রয় নিয়েছে।

বাংলাদেশ মায়ানমার সীমান্তের তুমব্রু এলাকার বাসিন্দা আবদুল আজিজ জানিয়েছেন, দুপুরে ৩ জন রোহিঙ্গা সীমান্তের শূন্যরেখার কোনার পাড়ার দক্ষিণে খালের পাশে অবস্থান করছিলেন। এসময় মায়ানমারের বিজিপি তাদের লক্ষ্য করে পরপর কয়েক রাউন্ড গুলিবর্ষণ করে। এতে আনসার হোসেন নামের এক রোহিঙ্গা গুলিবিদ্ধ হয়।

তুমব্রু সীমান্তে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা নেতা দিল মোহাম্মদ জানান, গুলিবর্ষণের ঘটনায় শূন্যরেখায় আশ্রয় নেয়া ৪ হাজার রোহিঙ্গার মাঝে আতংক বিরাজ করছে। অনেক রোহিঙ্গা আতংকে বাংলাদেশ সীমান্তে অবস্থান নিয়েছে।

নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম পুলিশ ফাড়ির পরিদর্শক ইমন চৌধুরী জানান, কোনার পাড়ায় আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণের ঘটনা তিনি স্থানীয়দের মাধ্যমে জেনেছেন। গুলিবিদ্ধ রোহিঙ্গাকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

এর আগে গত ২৬ আগষ্ট দুপুরে বাংলাদেশ সীমান্তে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের লক্ষ্য করে মায়ানমারের সীমান্ত রক্ষীরা গুলি ছোড়ে। স্থানীয়রা জানান, বেলা ১টার দিকে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের তমব্রু এলাকায় শূন্যরেখায় আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের লক্ষ্য করে সীমান্তে ওপার থেকে বিজিপি কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।

বিজিবির কক্সবাজার ৩৪ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মঞ্জুরুল হাসান খান বলেন, বিজিপি’র গুলিবর্ষণের ঘটনায় তাত্ক্ষণিক প্রতিবাদ জানিয়েছে বিজিবি। এজন্য ভুল স্বীকার করে দুঃখ প্রকাশ করেছে বিজিপি। গুলির এই ঘটনায় উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই।