চট্টগ্রাম, , শনিবার, ২৩ মার্চ ২০১৯

তুরস্কের নির্বাচনে এরদোগান ও তার জোটের ঐতিহাসিক জয়

প্রকাশ: ২০১৮-০৬-২৫ ০৬:৫০:০১ || আপডেট: ২০১৮-০৬-২৫ ১৭:৩০:৩৬

বলা হচ্ছিল তুরস্কে ঐতিহাসিক আলোচিত এই নির্বাচনে শক্ত চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে যাচ্ছেন দেশটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান। কিন্তু সব চ্যালেঞ্জকে ভণ্ডুল ও ভুল প্রমাণিত করলেন তুর্কিরা। তুরস্কে ঐতিহাসিক প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয় পেয়েছেন এরদোগান। মোট ভোটের ৫২.৫ শতাংশ ভোট পেয়েছেন ইসলামপন্থি এরদোগান। যেখানে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বামপন্থী রিপাবলিকান পিপলস পার্টির (সিএইচপি) মুহাররেম ইনস পেয়েছেন মাত্র ৩০.৭ শতাংশ।

এছাড়া সাধারণ পার্লামেন্ট নির্বাচনেও এরদোগানের দল একে পার্টির নেতৃত্বাধীন নির্বাচনী জোট পিপলস এলায়েন্সও বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে। পিপলস এলায়েন্স পয়েছে মোট ভোটের ৫৩.৬ শতাংশ বা ৩৪২টি আসন। যার মধ্যে একে পার্টিই পেয়েছে ৪২.৫ শতাংশ ভোট বা ২৯৩টি আসন। বিরোধী জোট ন্যাশনাল এলায়েন্স পেয়ে ৩৪.১ শতাংশ বা ১৯১ টি আসন।

এর আগে দেশটির ইতিহাসে সবচেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ প্রেসিডেন্ট ও পার্লামেন্ট নির্বাচন রবিবার (২৪ জুন) স্থানীয় সময় সকাল ৮টায় এই ভোটগ্রহণ শুরু হয়। চলে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। ১ কোটি ৮০ লাখ ৬৫টি ভোট কাস্ট হয়েছে বলে জানায় নির্বাচন কমিশন।

তুরস্কের নির্বাচন পদ্ধতি অনুযায়ী যদি কেউ সার্বিকভাবে ৫০ শতাংশের বেশি ভোট পান – তাহলে তাকে বিজয়ী ঘোষণা করা হবে এবং দ্বিতীয়দফা নির্বাচনের আর প্রয়োজন হবে না।

দ্বিতীয়বারের জন্য প্রেসিডেন্ট হওয়ার পথে এরদোগান। তবে এবার সময় একটু অন্যরকম। ভোটের পর ২০১৭ সালের গণভোট মাধ্যমে অনুমোদিত প্রেসিডেন্টের জন্য বেশ কিছু নতুন ক্ষমতা বলবৎ হবে।

ইতোমধ্যেই রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতারা। এর মধ্যে রয়েছেন কাতারের আমির শেখ হামিম বিন হামাদ আল থানি, আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ, ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস, হাঙ্গেরির প্রেসিডেন্ট ভিক্টর অরবান এবং বসনিয়ার প্রেসিডেন্ট বাকের, উজবেকিস্তানের প্রেসিডেন্ট শাভকাত মিরজিয়াভ।