চট্টগ্রাম, , বুধবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৮

তুরস্কের ঐতিহাসিক সাধারণ নির্বাচন আজ

প্রকাশ: ২০১৮-০৬-২৪ ১২:০১:৪৮ || আপডেট: ২০১৮-০৬-২৪ ১২:০১:৪৮

তুরস্কের ইতিহাসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে আজ রবিবার। এদিন একই সঙ্গে প্রেসিডেন্ট ও পার্লামেন্ট নির্বাচনে প্রায় পাঁচ কোটি ৬৩ লাখ ২২ হাজার ৬৩২ ভোটার তাদের রায় প্রদান করবেন।

স্থানীয় সময় সকাল ৮টায় শুরু হয়ে ভোটগ্রহণ চলবে বিকাল ৫টা পর্যন্ত। ভোটাররা আইডি কার্ড বা যে কোনও শনাক্তকরণ নথি দেখিয়ে ভোট দিতে পারবেন।

ভোটগ্রহণের খবর সংগ্রহের জন্য ইতোমধ্যে ৩৪টি দেশের ৬০০-এর বেশি সাংবাদিক দেশটিতে অবস্থান করছেন।

নির্বাচনে মোট আটটি রাজনৈতিক দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ছয়জন। তবে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বর্তমান প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেব এরদোয়ান এবং সিএইচপির প্রার্থী মুহাররেম ইনজে’র মধ্যে।

ছয় প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হচ্ছেন রিসেপ তাইয়্যেব এরদোয়ান, মুহাররেম ইনজে, ইয়ি বা গুড পার্টির মেরাল আকসেনার, কুর্দিদের সমর্থিত এইচডিপি’র সালাদিন দেমিরতাজ, ভাতান পার্টির ডোগু পেরিনজেক এবং সাদাত পার্টির তেমেল কারামুল্লাউলু।

পার্লামেন্ট নির্বাচনে জোটগতভাবে অংশ নিচ্ছে বড় দুই দল। এরদোয়ানের একেপি’র নেতৃত্বাধীন জোটে রয়েছে একে পার্টি, জাতীয়তাবাদী দল এমএইচপি।

কামাল আতাতুর্কের দল সিএইচপি’র জোটে রয়েছে সিএইচপি, ইয়ি পার্টি, ইসলামপন্থী দল সাদাত পার্টি এবং ডেমোক্র্যাটিক পার্টি।

জনমত জরিপে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে এরদোয়ানের এগিয়ে থাকার আভাস মিলেছে। তবে পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারাতে পারে তার দল ক্ষমতাসীন জাস্টিস অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট পার্টি (একেপি)।

নির্বাচনি ইশতিহারে তুরস্ককে দুনিয়ার শীর্ষস্থানীয় প্রতিরক্ষা সামগ্রী রফতানিকারক দেশে পরিণত করার অঙ্গীকার করেছে এরদোগান। শক্তিশালী পার্লামেন্ট, সরকার ও দেশ গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে দলটি। টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে তুরস্কের অংশীদারিত্ব আরও বাড়ানোর অঙ্গীকার করেছেন তিনি।

তিনি বলেছেন, তুরস্ক শুধুমাত্র প্রতিরক্ষা শিল্পে স্বয়ংসম্পূর্ণই হবে না, বরং একটি নেতৃস্থানীয় রফতানিকারক দেশে পরিণত হবে।

২০১৯ সালের ৩ নভেম্বর তুরস্কের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা ছিল। তবে গত এপ্রিলে এক বছরেরও বেশি সময় আগে আগাম নির্বাচনের ঘোষণা দেন এরদোগান। তার দল একেপি মূলত শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক সক্ষমতাকে সামনে রেখে নির্বাচনি প্রচারণা চালাচ্ছে।

বিপরীতে কর্মসংস্থান, শিক্ষা-কৃষি ও ব্যাংক খাতের সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সিএইচপি। তবে রবিবারের নির্বাচনে কোনও পক্ষ সংখ্যাগরিষ্ঠতা দ্বিতীয় দফায় ভোটগ্রহণের দরকার হতে পারে।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি