চট্টগ্রাম, , মঙ্গলবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৮

চট্টগ্রামে নিম্নচাপের প্রভাবে বৃষ্টি, ঈদ-বাজারে দুর্ভোগ

প্রকাশ: ২০১৮-০৬-১০ ১৯:৫৫:৪৬ || আপডেট: ২০১৮-০৬-১০ ১৯:৫৫:৪৬

জৈষ্ঠ্যের একেবারে শেষ প্রান্ত। ভ্যাপসা গরম অসহনীয় পর্যায়ে। একেবারে তালপাকা গরম বুঝি একেই বলে। সে যাই হোক, আশার কথা বৃষ্টির দেখা মিলেছে। টানা কয়েকদিনের তীব্র তাপদাহের পর শনিবার (০৯ জুন) থেকেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কম বেশি বৃষ্টিপাতের খবর মিলেছে। তবে রোববার (১০ জুন) মাত্রাটা কিছুটা বেড়ে যায়। ফলে দুর্ভোগের পড়েছে ঈদের বাজারের ক্রেতা-বিক্রেতারা।

আবহাওয়া অধিদফতর বলছে, দেশের দক্ষিণাঞ্চলে বেশ ভালো বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এটি দু’একদিনের মধ্যে সারাদেশে ছড়িয়ে পড়বে। এরপর আবারও কমবে। আর বৃষ্টিপাত কমলেই গরম আবারও বাড়বে। বর্তমানে দেশের ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে একটি নিন্মচাপ। যে কারণে সাগর উত্তাল রয়েছে। ঝড়ো আবহাওয়ার কারণে বন্দরগুলোকে সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অফিস।

সংস্থাটি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছেন, উত্তরপূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশ উপকূলীয় এলাকায় অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি আরও উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর ও ঘণীভূত হয়ে মৌসুমি নিন্মচাপে রূপ নিয়ে রোববার দুপুর ১২টায় সন্দ্বীপ ও তৎসংলগ্ন উত্তরপূর্ব বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থান করছিল। এটি আরও উত্তর/উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে আজ মধ্যরাত নাগাদ সীতাকুণ্ডের কাছ দিয়ে বাংলাদেশ উপকূল অতিক্রম করবে।নিম্নচাপ কেন্দ্রে ৪৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৪০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া আকারে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। নিম্নচাপ কেন্দ্রের কাছে সাগর উত্তাল রয়েছে।

মৌসুমি নিম্নচাপের প্রভাবে উত্তরপূর্ব বঙ্গোপসাগরে বায়ুচাপের পার্থক্যের আধিক্য বিরাজ করছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালার সৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর, বাংলাদেশর উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্র বন্দরগুলোর উপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। তবে ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা নেই।

ঝড়ো হাওয়ার কারণে কক্সবাজার, মোংলা, পায়রা ও চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এক্ষেত্রে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।