চট্টগ্রাম, , বুধবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৮

চট্টগ্রামের রিকশাচালক বেশে প্রতারনা, আটক ৩

প্রকাশ: ২০১৮-০৬-০৯ ১৬:৩২:১৩ || আপডেট: ২০১৮-০৬-০৯ ২২:৩৮:৩৬

সিরিশ কাগজ দিয়ে পিতলকে ঘষে তৈরি করা হচ্ছে ‘সোনার বার’। পরে রিকশাচালক বেশে প্রতারকরা ওই নকল সোনার বার যাত্রীদের কাছে বিক্রি করছে। এতে টাকা-পয়সা খুইয়ে নিঃস্ব হতে হচ্ছে সহজ-সরল যাত্রীদের।

চট্টগ্রাম নগরের দুটি স্থান থেকে স্বর্ণ প্রতারক চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার হয়েছে।রমজান মাসকে টার্গেট করে দেড়মাস আগে তারা চট্টগ্রামে এসে বাসা ভাড়া নিয়ে অবস্থান করছিল। সহযোগি হিসেবে ব্যবহারের জন্য চক্রটি কিছু রিকশাচালককেও দলে নিয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ থানার সুবিদ আলী গুলদার বাড়ির নুরুল ইসলামের ছেলে মো. টিটু (৩০), কিশোরগঞ্জের নিকলী থানার মজলিজপুর এলাকার মো. রাশেদের ছেলে মো. দেওয়ান (২০) ও বরগুনার বেতাগী থানার কালিকা বাড়ির হোসেন মুন্সীর ছেলে আফজাল হোসেন (৩৮)।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন সদরঘাট থানার ওসি নেজাম উদ্দিন বলেন, সিরিশ কাগজ দিয়ে পিতল ঘষে সোনার বার সদৃশ করে ফেলতে পারে চক্রটি। পরে হাজারী গলির সোনার দোকানগুলো থেকে ২১ ও ২২ ক্যারেট লেখা সিল ১০০ টাকা দিয়ে কিনে এনে উক্ত নকল বারে মেরে দেয় তারা।

গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে মোগলটুলী জাহাঙ্গীর মার্কেটের সামনে রাস্তায় নকল সোনার বারকে আসল সোনার বার উল্লেখ করে বিক্রি করছিল একটি চক্র। খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল সেখানে গিয়ে টিটু ও দেওয়ানকে ধরে ফেলে জানিয়ে সদরঘাট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রুহুল আমিন বলেন্লে এই দুইজনের কাছ থেকে একটি নকল সোনার বার, একটি সোনার আংটি, এক জোড়া সোনার কানের দুল, একটি সোনার নাকফুল জব্দ করে পুলিশ। এরপর ওই দুইজনকে জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে পাহাড়তলী থানাধীন উত্তর কাট্টলী এলাকার একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে আফজালকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সেখান থেকে একটি বড় সোনার বার, দুটি ছোট নকল সোনার বার, এক জোড়া সোনার কানের দুল ও শ্রী জুয়েলার্স নামের একটি প্রতিষ্ঠানের আটটি মেমো উদ্ধার করে পুলিশ।