চট্টগ্রাম, , সোমবার, ১০ ডিসেম্বর ২০১৮

উন্মুক্ত হলো মুরাদপুর ফ্লাওভারের ২ নম্বর গেটমুখী লুপ

প্রকাশ: ২০১৮-০৬-০১ ১৮:০০:০৩ || আপডেট: ২০১৮-০৬-০২ ১৫:০১:০৩

যানজট কমাতে নকশায় পরিবর্তন করে সিডিএ নির্মিত আকাতারুজ্জামান ফ্লাইওভারে যে দুটি লুপ তৈরি করা হয়েছে সেটির একটি ষোলশহর ২ নম্বর গেট থেকে আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভারমুখী লুপটি চালু করে দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম বোর্ড সদস্য ও কর্মকর্তাদের নিয়ে এ লুপ উদ্বোধনের মাধ্যমে সেটি উন্মুক্ত করে দেন।

উদ্বোধন করে সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম আশা প্রকাশ করে বলছেন, ষোলশহরের ২ নম্বর গেট এলাকার দীর্ঘদিনের যানজটের বিড়ম্বনা থেকে মুক্তি দিতে লুপ খুলে দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রতিদিন বায়েজিদ থেকে আসা হাজারো যানবাহনকে ২ নম্বর গেইট এলাকায় আর ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটের কবলে পড়তে হবে না। ’

সিডিএ সূত্রে জানা যায়, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ছয় দশমিক ০২ কিলোমিটার দীর্ঘ ৬৯৬ কোটি টাকা ব্যয়ে লুপের একপাশ চালু করে দেওয়া হয়েছে। ঈদের আগেই আরেক পাশ খুলে দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে ২ নম্বর গেইট এলাকার দীর্ঘদিনের যানযটের বিড়ম্বনা অনেকাংশে মুক্তি পাবে। যদিও লুপের একপাশ দিয়ে নগরের বায়েজিদ ভারী শিল্প এলাকা দিয়ে আসা যানবাহনগুলো আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভারে উঠতে পারবে। লুপের আরেকপাশ ঈদের আগেই ছেড়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সিডিএ।

যদিও বা এর আগে ২০১৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর নগরের মুরাদপুর-লালখানবাজারের আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভারটি পুরোপুরি যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়। ফ্লাইওভারটি মুরাদপুর এন মোহাম্মদ কনভেনশন সেন্টারের সামনে থেকে শুরু হয়ে জমিয়তুল ফালাহ মসজিদের পশ্চিম গেটের সামনে হয়ে লালখানবাজারে এসে নেমেছে।

সিডিএ সূত্রে জানা যায়, ৫ দশমিক ০২ কিলোমিটার দীর্ঘ ও ৫৪ ফুট প্রস্থের আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভার প্রকল্পটি ২০১৩ সালের ১ অক্টোবর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) অনুমোদন দেয়। ফ্লাইওভারের মোট নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছিলো ৬৯৬ কোটি টাকা। এরমধ্যে ফ্লাইওভারটির মূল অবকাঠামো তৈরিতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৫০ কোটি টাকা এবং র‌্যাম্প ও লুপ নির্মাণ কাজে ২৪৬ কোটি টাকা। প্রকল্পের মেয়াদ ধরা হয় ২০১৮ সালের জুন মাস পর্যন্ত। পরবর্তীতে র‌্যাম্প ও লুপ নির্মাণে বরাদ্দ বাড়ানো হয়।