চট্টগ্রাম, , মঙ্গলবার, ২১ আগস্ট ২০১৮

লঘুচাপ বঙ্গোপসাগরে, ব্যাপক বজ্রপাত ও শিলাবৃষ্টি হতে পারে

প্রকাশ: ২০১৮-০৪-২৬ ১৬:৩৭:০৬ || আপডেট: ২০১৮-০৪-২৬ ১৬:৩৭:০৬

ঢাকা, ময়মনসিংহ ও খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, রংপুর, সিলেট, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া ও বিজলী চমকানোসহ বজ্র বৃষ্টি হতে পারে।-খবর বাসস।

সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে এবং সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে।

বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে আগামী ২৪ ঘন্টা আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ কথা জানানো হয়েছে। আবহাওয়া অফিস জানায়, সকাল ৬টায় ঢাকায় বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৮২ শতাংশ।

ঢাকায় বাতাসের গতি ও দিক সম্পর্কে বলা হয়েছে, দক্ষিণ-পূর্ব ও পূর্বদিক থেকে ঘণ্টায় ৮ থেকে ১২ কিলোমিটার বেগে বাতাস বয়ে যেতে পারে।

আবহাওয়া চিত্রের সংক্ষিপ্তসারে বলা হয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।

পরবর্তী ৭২ ঘণ্টায় অর্থাৎ আগামী তিন দিন বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে বলে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে।

এদিকে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর সদরসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের উপর দিয়ে বুধবার সন্ধ্যার দিকে কালবৈশাখী ঝড় বয়ে গেছে। এ ঝড়ে বৈদ্যুতিক খুঁটিসহ বেশ কিছু ঘরবাড়ি ভেঙে গেছে। সদ্য ফুলে ওঠা ইরিবোরো ধান মাঠের মধ্যে নেতিয়ে পড়েছে।

গতকালের ঝড়ের সাথে প্রবল দমকা হাওয়া ও মুষলধারায় বৃষ্টি হয়। এতে প্রবল দমকা হাওয়ায় উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বিলবোর্ড দুমড়ে মুচড়ে গেছে।

জানা গেছে, সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার পৌরএলাকা, কায়েমপুর, গাড়াদহ, নরিনা, পোতাজিয়া, গালা, কৈজুরী, পোরজনাসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের ওপর দিয়ে প্রচণ্ড বেগে কালবৈশাখী ঝড় বয়ে যায়। ঝড়ের তাণ্ডবে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বৈদ্যুতিক খুঁটি নেতিয়ে পড়েছে ও ভেঙে গেছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে যমুনা তীরবর্তী অঞ্চল ও দুর্গম চরাঞ্চল গুলিতে। এসব স্থানের প্রায় অর্ধ শতাধিক কাঁচা ঘরবাড়ি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেকের ঘরের টিনের চালা উড়ে গেছে, কাঁচা ঘরবাড়ির বেড়া ভেঙে পড়েছে। ঝড়ের তাণ্ডবে বিভিন্ন স্থানে অসংখ্য গাছপালা সমূলে উপড়ে পড়েছে। এখনো বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে উপজেলার বেশিরভাগ এলাকা।