চট্টগ্রাম, , বুধবার, ১৫ আগস্ট ২০১৮

ঢাকা-চট্টগ্রাম বুলেট ট্রেন চালু হবে-রেলমন্ত্রী

প্রকাশ: ২০১৮-০৪-১২ ২৩:৫৭:২৩ || আপডেট: ২০১৮-০৪-১২ ২৩:৫৭:২৩

কালুরঘাটে কর্ণফুলী নদীর উপর সড়ক কাম রেলসেতু নির্মাণ করা হবে বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক। মন্ত্রী বলেন,‘কালুরঘাট ব্রিজের ওপর দিয়ে যখন ট্রেন চলাচল করে তখন বাসসহ অন্যান্য যানবাহনকে অপেক্ষা করতে হয়। আবার বাস, ট্রাক চলাচল করলে ট্রেন চলাচল করতে পারে না। ওই রুটের যাত্রীদের দীর্ঘদিন ধরে এ ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। তবে তাদের এ ভোগান্তি বেশি দিন থাকবে না। কর্ণফুলী নদীর ওপর সড়ক কাম রেলসেতু নির্মাণের প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) বিকেলে ৪টায় চট্টগ্রাম নগরীর আগ্রাবাদ ওর্য়াল্ড ট্রেড সেন্টারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার সমাপনী উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি। এ অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন রেলমন্ত্রী।

মুজিবুল হক বলেন,‘কোরিয়ার অর্থায়নে এটি বাস্তবায়ন করা হবে। ইতোমধ্যে এই প্রকল্পের ডিপিপি তৈরি করে একনেকে পাঠানো হয়েছে। আগামী একনেকের বৈঠকে কর্ণফুলী নদীর ওপর কালুরঘাট সেতুর এ প্রকল্পটি আশা করি পাশ হবে।’

রেলমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপির আমলে নতুন রেললাইন স্থাপন দূরে থাক। পুরাতন রেল লাইনগুলোও সংস্কার করা হয়নি। ইঞ্জিন আনে নাই, বগি আনে নাই। তারা রেলওয়ে খাতের উন্নয়নে কোনও কাজই করেনি। উল্টো গোল্ডেন হ্যান্ডশেক নাম দিয়ে রেলওয়ের ১৩ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারীকে চাকুরিচ্যূত করেছেন। যে কারণে তাদের (বিএনপি) সময় রেলওয়ে খাত ধ্বংস হয়ে যায়।’

তিনি বলেন, আমরা (আওয়ামী লীগ) ক্ষমতায় আসার পর প্রধানমন্ত্রী ২০১১ সালের ডিসেম্বরে রেলওয়ে মন্ত্রণালয় নাম দিয়ে আলাদা মন্ত্রণালয় খুলেছেন। রেল খাতকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে তিনি এগিয়ে আসেন। এক সময় রেলওয়ে খাতের বাজেট ছিল মাত্র ৫০০ কোটি টাকা অথচ এই অর্থ বছরে প্রধানমন্ত্রী রেলওয়ের উন্নয়ন ও অনুন্নয়ন খাতে ১৬ হাজার ১৩৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর এই বিশাল বরাদ্দের কারণে আমরা নতুন রেললাইন স্থাপন, পুরাতন রেললাইন সংস্কার করে যাচ্ছি।’

মন্ত্রী আরও বলেন,‘বিএনপির সময় তারা ১৪০টি স্টেশন বন্ধ করে দেন। আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর ওই বন্ধ স্টেশনগুলো থেকে ৬০টি চালু করেছি। বাকি ৮০টি আগামী দুই মাসের মধ্যে চালু করা হবে।’

এর আগে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মাহবুবুল আলম। অন্যদের মধ্যে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) দেলোয়ার হোসেন ও চেম্বারের সিনিয়র সহসভাপতি এবং মেলার আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক সৈয়দ জামাল আহমেদ বক্তব্য রাখেন। পরে মন্ত্রী মেলায় অংশ গ্রহণকারী শ্রেষ্ঠ প্যাভেলিয় ও প্রতিষ্ঠানের সদস্যদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।