চট্টগ্রাম, , সোমবার, ২০ আগস্ট ২০১৮

খালেদা জিয়ার মুক্তি এক নম্বর শর্ত: ফখরুল

প্রকাশ: ২০১৮-০৪-০৬ ১৪:৫৭:৩৮ || আপডেট: ২০১৮-০৪-০৬ ১৪:৫৭:৩৮

বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার মুক্তিই বিএনপির এক নম্বর শর্ত বলে জানিয়েছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শুক্রবার দুপুরে ‘খালেদা জিয়ার মুক্তি ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

‘আমাদের এক নম্বর শর্ত হলো বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি। তাকে মুক্ত করতে হবে। এরপর অন্য বিষয়ে আলোচনা হতে পারে’, বলেন ফখরুল।

তিনি বলেন: আমরা নির্বাচনমুখী দল। আমরা সবসময় নির্বাচন করে এসেছি। স্থানীয় সরকার নির্বাচন আমরা বরাবরই করেছি। এটি আমরা করছি ঘোষণা দিয়েই। কিন্তু জাতীয় নির্বাচন এভাবে হতে পারে না। জাতীয় সংসদ আর স্থানীয় সরকার নির্বাচন এক নয়। এ অবস্থায় দেশে কোনও জাতীয় নির্বাচন হতে পারে না।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন: বাংলাদেশ কঠিন সময় পার করছে। এর চেয়ে দুঃসময় দেশে আর আসেনি। এ সরকার ব্যাংক লুট করেছে। শেয়ারবাজার ধ্বংস করেছে। গণতন্ত্র ধ্বংস করে দিয়েছে। সুন্দরবন ধ্বংস করে দিচ্ছে। এরা মানুষের কথা বলার অধিকার, ধর্মীয় অধিকার কেড়ে নিয়েছে। এরা মানুষকে পুতুল বানাতে চাচ্ছে। এ সরকার একটি পুরোপুরি স্বৈরাচারী সরকার। জার্মানের গবেষণা এবং বিবিসি তা বলছে। এ সরকার মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। দল ভাঙার চেষ্টা করছে। বিরোধী দল ধ্বংস করে দিতে চায়।

ফখরুল বলেন: দেশে আরেকটি অশনি সংকেত হলো রোহিঙ্গা সমস্যার কোনো সমাধান হয়নি। বাংলাদেশ একটি আন্তর্জাতিক সংকটে পড়ছে। একজন লোকও নিয়ে যায়নি মিয়ানমার। তাদের নিয়ে কথাও বলে না মিয়ানমার। এ হলো আমাদের যোগ্য পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাফল্য। আজকে দেশের এসব বিষয় নিয়ে কথা বলা যায় না। যে বলে সে রাষ্ট্রদ্রোহী হয়ে যায়।

বিএনপি মহাসচিব বলেন: সংবিধানকে শেষ করে দেয়া হয়েছে। ওখানে কিচ্ছু নেই। বাংলাদেশেও বন্দুক যাদের হাতে তাদের হাতে ক্ষমতা। আমরা নিরস্ত্র সাধারণ পাবলিক। আমরা অসহায় অবস্থায় পড়ে আছি।

‘দেশের এ দুঃসময়ের কথা সবাই জানে। কিন্তু মুখ খুললে কি হয়? তাদের বাড়ি বুলডোজার দিয়ে ভেঙে দেয়া হয়। শফিক রেহমানের মতো সাংবাদিককে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে হয়’, বলেন তিনি।

জাগপা আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন দলটির সভাপতি অধ্যাপিকা রেহানা প্রধান। বক্তব্য রাখেন জাগপার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।