চট্টগ্রাম, , সোমবার, ২০ আগস্ট ২০১৮

চবিতে ছাত্রলীগের দুই পক্ষে সংঘর্ষ, আহত ৫

প্রকাশ: ২০১৮-০৩-২৭ ২১:৪০:০৪ || আপডেট: ২০১৮-০৩-২৭ ২১:৪০:০৪

আদিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ছাত্রলীগের দুই পক্ষে সংঘর্ষ হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত পাঁচ জন। মঙ্গলবার (২৭ মার্চ) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে সোহরাওয়ার্দী হলের সামনে এ ঘটনা ঘটে। হাটহাজারী থানার এসআই পরেশ চন্দ্র শিকদার এ খবর নিশ্চিত করেন।

ক্যাম্পাস সূত্র জানায়, নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিনের অনুসারী দু’টি পক্ষের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়।

আহতরা হলেন– ইতিহাস বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের রিয়াজ রাফি ও একই বিভাগের ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষের তারেক ইকবাল, গণিত বিভাগের ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের সাজিদ, পরিসংখ্যান বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের কামাল, বাংলা বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের নেয়ামত উল্লাহ।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মঙ্গলবার বিকালে সোহরাওয়ার্দী হলের সামনে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের বগিভিত্তিক সংগঠন ‘ভিএক্স’ ও ‘সিক্সিটি নাইনে’র কর্মীদের মধ্যে হাতাহাতি হয়। এ সময় আহত হয় উভয় গ্রুপের তিন কর্মী তারেক ইকবাল, কামাল ও সাজিদ। এ খবর ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে পড়লে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। পরে সিক্সটি নাইনের কর্মীরা সোহরাওয়ার্দী হলের সামনে এবং ভিএক্স গ্রুপের কর্মীরা সোহরাওয়ার্দী হলে অবস্থান নেয়। পরে উভয় পক্ষই ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। এ সময় আরও আহত হয় রিয়াজ রাফি ও নেয়ামত উল্লাহ। আহত সবাইকে বিশ্ববিদ্যালয় মেডিক্যাল সেন্টারে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য সাজিদ, তারেক ইকবাল ও কামালকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ক্যাম্পাস সূত্র জানায়, এর আগে গতকাল সোমবার (২৬ মার্চ) বিকালে ভিএক্সের এক কর্মীকে মারধর করে সিক্সটি নাইনের কর্মীরা। ওই ঘটনার জের ধরে মঙ্গলবার উভয় পক্ষ সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক উপ-গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক ও সিক্সটি নাইন গ্রুপের কর্মী ইকবাল হোসেন টিপু বলেন, ‘গতকাল দুই জুনিয়রের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। ব্যাপারটা গতকালই সমাধান করা হয়েছে। কিন্তু আজকে সোহরাওয়ার্দী হলের সামনে আমাদের এক জুনিয়রকে মারধর করে। এই নিয়ে সংঘর্ষের সুত্রপাত।’

ভিএক্স গ্রুপের নেতা ও ছাত্রলীগের সাবেক উপ-দফতর সম্পাদক মিজানুর রহমান বিপুল বলেন, ‘ভুল বুঝাবুঝির কারণে আজ এ ঘটনা ঘটেছে। আমরা বিষয়টি সমাধান করার চেষ্টা করছি।’

এসআই পরেশ চন্দ্র শিকদার বলেন, ‘ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে ঝামেলা হয়েছে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। তবে তাদের কেউ গুরুতর আহত নয়। আমরা ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করি। উভয় পক্ষকে আমরা সরিয়ে দিয়েছি। বর্তমানে ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।’