চট্টগ্রাম, , মঙ্গলবার, ১৪ আগস্ট ২০১৮

চিকিৎসা সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ২০১৮-০৩-১৮ ১১:৪০:৫৬ || আপডেট: ২০১৮-০৩-১৮ ১৩:৩৫:২১

মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে বদ্ধ পরিকর আওয়ামী লীগ সরকার, এমনটাই জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। চিকিৎসা সেবাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে তিনি আরো বলেন, জটিল রোগীদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের আরও সতর্ক হতে হবে।

রোববার সকালে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে জটিল রোগ নিয়ে চিকিৎসকদের আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোগীর স্বজন ও চিকিৎসক উভয়কেই সহানুভূতিশীল হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

এসময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরো বলেন, ‘যখন নিমতলায় আগুন লাগলো, তখন ডা. সামন্ত লাল সেন এসে বললো আমি এখন কি করবো? আইসিইউ তো এখনও চালু হয় নি। অথচ মেশিনপত্র আমি কিনে দিয়েছি। সাত বছর ধরে এগুলো পড়ে আছে। কোনোটিই তা কাজে লাগানো যায় নি। আর আগের সরকার তো লুট, পাট ও জ্বালাও পুড়াওয়ে ব্যস্ত ছিলো। তারাও তো করতে পারতো কিন্তু তারাও করেনি। আমরা বোধ হয় সাত দিনও লাগে নি, সেটি চালু করতে।

তিনি বিএনপি-জামায়াতের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, ‘তারা কমিউনিটি ক্লিনিক বন্ধ করে দিয়েছিলো। ওই সময় তাদের ছিলো খুব নগণ্য যুক্তি। সেই যুক্তিটা হচ্ছে, এই কমিউনিটি ক্লিনিকে যারা চিকিৎসা নেবে তারা কখনই বিএনপিকে ভোট দিবে না। তারা নৌকায় ভোট দিবে। আর সেই ভয়ে কমিউনিটি ক্লিনিক বন্ধ।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ভিজিটর তো যেতেই হবে। আত্মীয়স্বজন তো যাবে যাবে তার সঙ্গে রাজনীতিবিদরাও যাবে। তারা না গেলে নাকি রোগীর আত্মীয়স্বজনদের মানসম্মান থাকে না, এরকমের একটা সমস্যা আছে। নেতারাও মনে করেন যে, তারা হয়তো না গেলে দায়িত্ব পালনে অবহেলা হলো।’

এরপর তিনি চিকিৎসকদের পরামর্শ দিয়ে বলেন, ‘এবিষয়ে আপনাদের একটু কড়াকড়ি করতে হবে। পরিষ্কার কথা এটি। ঠিক আছে, যারা আসবে তারা অবশ্যই আসবে। তাহলে একটা ভিজিটর কর্নার করে দিবেন, যেখানে ভিজিটররা বসবেন, খাতা থাকবে। এর এখনতো আমাদের ডিজিটাল সিস্টেমই আছে। দরকার হয় ডিজিটাল সিস্টেমে রোগী দেখে আসবে। ওখানে মনিটর লাগানো থাকবে, ভিজিটররা বাইরে দাঁড়িয়ে রোগী দেখবেন। অথবা গ্লাস দেয়া থাকবে, গ্লাসের বাইরে থেকে রোগী দেখবে।’