চট্টগ্রাম, , শনিবার, ১৮ আগস্ট ২০১৮

আকাশে উড়ার স্বপ্ন পূরণ প্রিয়ন্ময়ী, কিন্তু …

প্রকাশ: ২০১৮-০৩-১২ ২০:২৭:৩৮ || আপডেট: ২০১৮-০৩-১২ ২০:২৭:৩৮

বাবার সঙ্গে আকাশে উড়তে চেয়েছিল এফএইচ প্রিয়কের তিন বছরের মেয়ে প্রিয়ন্ময়ী। শেষ পর্যন্ত আকাশে উড়ার স্বপ্ন পূরণ হলেও জীবন নিয়ে মাটিতে নামা হয়নি নেপালে বিধ্বস্ত ইউএস-বাংলার বিমানের বাবা-মেয়ে দুই যাত্রীর। আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি প্রিয়ন্ময়ীর মা এ্যানি প্রিয়ক। নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়। চার ক্রুসহ ৭১ জন আরোহীর অধিকাংশই নিহত হয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বিমানটি সোমবার ১২টা ৫০ মিনিটে ঢাকা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কাঠমান্ডুর উদ্দেশে রওনা হয়।

নেপাল সেনাবাহিনীর বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, আরোহীদের ৫০ জন নিহত হয়েছেন। আহতদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

বিমানে উঠার আগে প্রিয়ক-এ্যানি দম্পতির সঙ্গে মেহেদি হাসান অমিও-সোনামনি প্রিয়তমা দম্পতিকে টার্মিনালে তোলা দু’টি ছবিতে দেখা যায়। একটি ছবিতে প্রিয়ক ও এ্যানি দম্পতির সঙ্গে তাদের মেয়ে প্রিয়ন্ময়ী এবং অমিও’র স্ত্রী সোনামনিকে দেখা যায়। অপর ছবিতে অমিও-সোনামনি দম্পতির সঙ্গে প্রিয়কের স্ত্রী এ্যানি এবং প্রিয়ন্ময়ীকে দেখা যায়।

প্রিয়কের ভাগ্নে সালাহউদ্দিন জানান, প্রিয়ক এবং প্রিয়কের মেয়ে প্রিয়ন্ময়ী মারা গেছেন। বাকি তিনজন বেঁচে আছেন। ফ্লাইটের দুই শিশুই মারা গেছে। তাদের লাশ পাওয়া গেছে।

সালাহউদ্দিন বলেন, ‘প্রিয়ন্ময়ী খুব চটপটে ছিল। খুব কথা বলতো। গতকালও খুব খুশি ছিল। আমাকে বলেছে- ভাইয়া, আমি আকাশে উড়ব, বিমানে চড়ব।’

এদিকে, সোনামনি প্রিয়তমার বড় বোন সাইয়েদা মুক্তা আমির বলেন, ‘আমার বোন এবং তার স্বামী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।’