চট্টগ্রাম, , বৃহস্পতিবার, ১৬ আগস্ট ২০১৮

সাতকানিয়া-লোহাগাড়া আসনে আ’লীগের মনোনয়ন চাইবে মোতালেব সিআইপি

প্রকাশ: ২০১৮-০৩-১১ ২০:১৭:৩৪ || আপডেট: ২০১৮-০৩-১২ ০৯:৪২:২৭

শহীদুল ইসলাম বাবর
সিটিজি টাইমস টাইমস

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১৫ সাতকানিয়া-লোহাগাড়া আসনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন চাওয়ার ঘোষনা দিয়েছেন সাতকানিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এম এ মোতালেব সি আইপি।

তিনি সম্প্রতি সাতকানিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে মত বিনিময়কালে মনোনয়ন চাওয়ার ঘোষনা দিয়ে বলেন, গত সংসদ নির্বাচনে আমার মনোনয়ন নিশ্চিত ছিল। অনেক সিনিয়র নেতা আমাকে মনোনয়ন পাওয়ায় অভিনন্দনও জানিয়েছিল। কিন্তু পরবর্তিতে আমাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়নি। হতাশ হয়ে যায়নি আমি।

আমার পরিবর্তে দল আবু রেজা মোহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভীকে মনোয়ন দিলে আমি তার পক্ষেও কাজ করে নৌকার বিজয় নিশ্চিত করেছি। আমি দলের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। দলের তৃনমূলের নেতারা আমাকে দলের কাউন্সিলে সাতকানিয়া আওয়ামীলীগের সভাপতি নির্বাচিত করেছে। এটি আমার জন্য বড় পাওয়া। আমি সভাপতির দায়িত্ব নিয়ে দলের জন্য কাজ করেছি। জামায়াত-শিবিরের ঘাটি হিসেবে পরিচিত সাতকানিয়াতে এখন প্রতিটি ঘরে ঘরে আওয়ামীলীগের কর্মী সমর্থক তৈরী হয়েছে।

দেশের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিএনপি জামায়াত জোট সরকারের শাসনামলে তারা এতিমের টাকা পর্যন্ত মেরে খেয়েছে। উন্নয়ন হয়নি, হয়েছে লুটপাট। সমগ্র বিশ্বে বাংলাদেশ একটি দূর্নীতিগ্রস্থ দেশ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছিল। আর বঙ্গবন্ধু কন্য জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতায় আসার পর একের পর এক মেগা প্রকল্প গ্রহণ করে দেশকে উন্নয়নের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। সমগ্র বিশ্বের অনিশ্চয়তা মাড়িয়ে পদ্মা সেতু নির্মানের কাজ শুরু করেছে। এটি বাংলাদেশের জন্য বিশাল চ্যালেঞ্জ। ইনশাআল্লাহ সরকার সফল হবে। যেমনটি সরকার জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ দমনে সফল হয়েছে।

জঙ্গিবাদ দমনে বাংলাদেশ আজ বিশ্বে রোল মডেল। সাতকানিয়া-লোহাগাড়ার রাজনীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন,সাতকানিয়া-লোহাগাড়ার রাজনীতিতে কোন বিবেধ নেই। দলের মনোনয়ন নির্বাচিত এমপি নদভী সাহেবকে আমরা দলের বিভিন্ন কর্মকান্ডে অংশ নেওয়ার আহবান করি। কিন্তু তিনি না আসলে তো আর জোর করে আনা যায়না।

মনোনয়ন পেলে নির্বাচনে বিজয়ী হওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমার সর্বমোট সাড়ে ৬ হাজার কর্মচারী রয়েছে। তার মধ্যে প্রায় তিন হাজার হচ্ছে সাতকানিয়া-লোহাগাড়ার। তারা নির্বাচনে ভূমিকা রাখবে। আমার দল রয়েছে। দলের নেতা কর্মীরা নৌকাকে বিজয়ী করার জন্য কাজ করবে। সব মিলিয়ে আমি মনোনয়ন পেলে বিজয় নিশ্চিত বলেই আমি মনে করি। তিনি বলেন, সাতকানিয়ায় আগের সেই জামায়াতের দূর্গ আর এখন নেই। সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ড দেখে প্রতিটি ঘরে ঘরে আওয়ামীলীগের কর্মী তৈরী হয়েছে। মানুষ শিক্ষিত হচ্ছে।

বঙ্গবন্ধু ও আওয়ামীলীগ সর্ম্পকে মানুষ জানতে পারছে। মুক্তিযোদ্ধের ইতিহাস শির্ক্ষাথীদের শেখানো হচ্ছে। সাতকানিয়ার ছেলে মেয়েদের শিক্ষিত করে গড়ে তোলার জন্য আমি কাজ করছি। গ্রামে কলেজ প্রতিষ্টা করেছি। প্রতিটি মসজিদ, মন্দিরে অনুদান দিচ্ছি। যোগ্য প্রার্থী দিলে এখানে নৌকার বিজয় সু-নিশ্চিত।