চট্টগ্রাম, , বৃহস্পতিবার, ১৬ আগস্ট ২০১৮

২৭ মার্চ থেকে ঘুমধুম সীমান্তে বিজিবি-বিজিপির যৌথ টহল

প্রকাশ: ২০১৮-০৩-০৩ ১৩:৫২:১১ || আপডেট: ২০১৮-০৩-০৩ ১৩:৫২:১১

চলতি মাসের ২৭ মার্চ থেকে ঘুমধুম সীমান্তে বিজিবি ও বিজিপি যৌথ টহল পরিচালনা করবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসুজ্জামান খাঁন কামাল। একই সঙ্গে সীমন্তবর্তী এলাকা থেকে ভারী অস্ত্র সরিয়ে নিয়েছে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। রাজধানীর তেজকুনি পাড়ায় এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

এর আগে শুক্রবার ঘুমধুম সীমান্তে অধিনায়ক পর্যায়ে বিজিবি ও বিজিপি পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের তমব্রু সীমান্তে গত বৃহস্পতিবার থেকে অতিরিক্ত বিজিপি মোতায়েন করা হয়। এর কারণ জানতে চেয়ে বৃহস্পতিবার বিজিবি-বিজিপি পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানানো হলে সারা পাওয়া যায়নি।

তবে শুক্রবার বিজিবি ও বিজিপি অধিনায়ক পর্যায়ে পতাকা বৈঠকের সিদ্ধান্ত হয়। ওই পতাকা বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার থেকে তমব্রু সীমান্তে অতিরিক্ত মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি) মোতায়েন করা হয়। অতিরিক্ত সেনাসহ সীমান্ত ঘেঁষে ভারী অস্ত্রও মোতায়েন করা হয়েছে। শূন্য রেখায় অবস্থান করা রোহিঙ্গাদের সরে যেতে ফাঁকা গুলি বর্ষণও করেছে দেশটি।

শূন্যরেখায় অবস্থান করা রোহিঙ্গারা যাতে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করতে না পারে, এ জন্য সতর্ক অবস্থায় রয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এতে ওই সীমান্ত এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

এর কারণ জানতে বৃহস্পতিবার মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) কাছে পতাকা বৈঠকের অনুরোধ জানালেও সাড়া মেলেনি। ঢাকায় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে তলব করে সীমান্ত থেকে অবিলম্বে মিয়ানমারের সেনাদের সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে।