চট্টগ্রাম, , শুক্রবার, ১৭ আগস্ট ২০১৮

ওবায়দুল কাদেরের মায়ের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক

প্রকাশ: ২০১৮-০২-২৭ ১৪:৫৪:৫৬ || আপডেট: ২০১৮-০২-২৭ ১৬:০১:১৩

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের মা বেগম ফজিলাতুন্নেসার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

গণমাধ্যমে পাঠানো আলাদা শোকবার্তায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী। খবর বাসসের

শোকবার্তায় রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বেগম ফজিলাতুন্নেসার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান।

এর আগে ওবায়দুল কাদেরের মা বেগম ফজিলাতুন্নেসার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করে বিবৃতি দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বেগম ফজিলাতুন্নেসার মৃত্যুতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ গভীর শোকাহত। তিনি ছিলেন রত্নগর্ভা মহীয়সী নারী।’

তিনি এক বিবৃতিতে মরহুমা বেগম ফজিলাতুন্নেসার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজনের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

বেগম ফজিলাতুন্নেসা আজ রাত ১০টা ৪০ মিনিটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। তিনি ৪ ছেলে, ৫ মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

না ফেরার দেশে ওবায়দুল কাদেরের মা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের মা বেগম ফজিলাতুন্নেসা (৯২) না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন (ইন্নালিল্লাহি…..রাজিউন)।

সোমবার রাত ১০টা ৩৫ মিনিটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৯২ বছর। আজ মঙ্গলবার নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

গত ২৩ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৮টায় নোয়াখালীর নিজ বাড়িতে বাড়িতে স্ট্রোক করেন তিনি।

সোমবার দুপুর ৩টার দিকে ঢাকার বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিইউতে নেয়া হয় তাকে। সন্ধ্যায় হাসপাতালে গিয়ে মায়ের পাশে দীর্ঘ সময়ও কাটান ওবায়দুল কাদের। এ সময় তিনি মায়ের সুস্থতা কামনা করে দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন।

দীর্ঘদিন যাবত বার্ধক্যজনিত নানান রোগে ভুগেছেন বেগম ফজিলাতুন্নেসা।

বেগম ফজিলাতুন্নেসার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার রাতে এক শোকবার্তায় তিনি মৃতের আত্মার শান্তি কামনা করেন।

রংপুরের সাবেক মেয়র মরহুম ঝন্টুর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রংপুর সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা শরফুদ্দিন আহমেদ ঝন্টুর মুত্যুতে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী সোমবার জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় মরহুমের কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। ঝন্টু একজন সাবেক সংসদ সদস্যও ছিলেন। খবর বাসসের।

প্রধানমন্ত্রী ঝন্টুর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধার নিদর্শন হিসেবে পুষ্পস্তবক অর্পণের পর সেখানে কিছু সময় নিরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এরপর তিনি দলের সভাপতি হিসেবে দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে দলের পক্ষ থেকে আর একবার মরহুমের কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, জাতীয় সংসদের চীফ হুইপ এএসএম ফিরোজ, পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম, দলের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, দপ্তর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ এবং দলের হুইপ ও সংসদ সদস্যগণ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে দক্ষিণ প্লাজায় ঝন্টুর নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। মন্ত্রীবর্গ, চীফ হুইপ, হুইপগণ, সংসদ সদস্যবর্গ, আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ জানাজায় শরীক হন।

বাংলাদেশ পুলিশের একটি সুসজ্জিত দল এই বীর যোদ্ধাকে গার্ড অব অনার প্রদান করে।

ঝন্টু রবিবার বিকেলে ৬৬ বছর বয়সে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল ইউনিভার্সিটিতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।