চট্টগ্রাম, , শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮

সশস্ত্র বাহিনী প্রধানদের মেয়াদ চার বছর

প্রকাশ: ২০১৮-০২-১৯ ২১:৩১:৪৯ || আপডেট: ২০১৮-০২-১৯ ২১:৩১:৪৯

সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর প্রধানদের মেয়াদ সর্বোচ্চ চার বছর নির্ধারণ করে জাতীয় সংসদে বিল পাস হয়েছে। সোমবার সংসদ কাজে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ‘প্রতিরক্ষা বাহিনীসমূহের প্রধানদের (নিয়োগ, বেতন, ভাতা এবং অন্যান্য সুবিধা) বিল-২০১৮’ সংসদে পাসের প্রস্তাব করেন। বিলের ওপর দেওয়া জনমত যাচাই-বাছাই কমিটিতে পাঠানো ও সংশোধনী প্রস্তাবগুলোর নিষ্পত্তির পর কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়।

সংবিধানের ৬২ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রতিরক্ষা বাহিনী প্রধানদের নিয়োগ ও বেতন-ভাতার বিষয় আইন দিয়ে নির্ধারণ করতে বিলটি পাস করা হয়েছে।

বিলে বলা হয়েছে, বাহিনীর প্রধানদের নিয়োগের মেয়াদ হবে একসঙ্গে বা বর্ধিতকরণসহ নিয়োগ দেওয়ার তারিখ থেকে অনূর্ধ্ব চার বছর। বাহিনীর প্রধানেরা পদ থেকে অবসর নেওয়ার দিন থেকেই তিনি অবসরপ্রাপ্ত বলে গণ্য হবেন। বেসামরিক কর্মকর্তাদের মতো এক বছরের অবসরোত্তর ছুটিও (পিআরএল) পাবেন।

আইন অনুযায়ী, কোনো বাহিনীর প্রধান অবসর নেওয়ার পর কোনো সামরিক বা বেসামরিক পদে পুনরায় নিয়োগের যোগ্য হবেন না। তবে চুক্তি ভিত্তিতে কোনো বেসামরিক পদে নিয়োগ পেতে পারবেন। অবসরের পর বাহিনীর প্রধানেরা প্রজাতন্ত্রের কোনো কাজে সামরিক বা বেসামরিক নিয়োগের অযোগ্য বিবেচিত হলেও সাংবিধানিক পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে বাধা থাকবে না।

বিলে বাহিনী প্রধানের বেতন ৮৬ হাজার টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া নিয়মানুযায়ী অন্যান্য ভাতা প্রদানের বিধান করা হয়েছে।

বিলে বেতন-ভাতার বাইরে বাহিনী প্রধানদের বিশেষ আবাসিক ও তদসংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়াদি, সার্বক্ষণিক সরকারি গাড়ি, সামরিক হাসপাতালে বিনা খরচে নিজ ও পরিবারের চিকিৎসা, রেশন, ভবিষ্য তহবিল, প্রাধিকারপ্রাপ্ত সহায়ক জনবল এবং প্রচলিত সুবিধাসহ অন্যান্য সুবিধা প্রদানে বিধান করা হয়েছে।

এতদিন এ সংক্রান্ত কোনো আইন ছিল না। জয়েন্ট সার্ভিসেস ইন্সট্রাকশনস (জেএসআই) নামে একটি সার্কুলার দিয়ে এসব চলত।