চট্টগ্রাম, , শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮

‘ব্যবসা গতিশীল করতে চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে হবে’

প্রকাশ: ২০১৮-০২-১০ ২০:০৯:৩৭ || আপডেট: ২০১৮-০২-১০ ২০:০৯:৩৭

দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যকে আরও গতিশীল ও ফলপ্রসূ করার ক্ষেত্রে চট্টগ্রাম বন্দরসহ অন্যান্য সমুদ্র বন্দরগুলোর সক্ষমতা বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করছে এফবিসিসিআই। দেশের দ্রুত অগ্রসরমান উন্নয়ন প্রক্রিয়ার সঙ্গে তাল মিলিয়ে বন্দরের পণ্য লোড-আনলোড দ্রুতকরণ, গ্যান্ট্রি-ক্রেন ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির সংখ্যা বাড়ানোসহ অন্যান্য সুবিধা নিশ্চিত করা দরকার বলে এফবিসিসিআই মত দিয়েছে।

শনিবার এফবিসিসিআইয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগকারীদের সহায়তায় সরকার সম্প্রতি জাতীয় সংসদে যে ‘ওয়ানস্টপ সার্ভিস’ বিল পাস করেছে সে প্রক্রিয়ায় নৌ-পরিবহন এবং সমুদ্র পরিবহন সেবায় নিয়োজিত বিভিন্ন পক্ষকে সম্পৃক্ত করার ওপরও এফবিসিসিআই গুরুত্ব দিয়েছে। এফবিসিসিআই স্ট্যান্ডিং কমিটি রিলেটিং টু মিনিস্ট্রি অব শিপিং (মেরিটাইম পোর্ট) -এর এক সভায় আজ এসব বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

কমিটির চেয়ারম্যান ড. মো. পারভেজ সাজ্জাদ আকতার সভায় সভাপতিত্ব করেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন স্ট্যান্ডিং কমিটির ডাইরেক্টর ইন-চার্জ ও এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সহ-সভাপতি মাহবুবুল আলম। এছাড়াও কমিটির কো- চেয়ারম্যান ও সদস্যরা সভায় অংশ নেন। সভায় অন্যান্যের মধ্যে এফবিসিসিআই পরিচালক হাফেজ হারুণ অংশ নেন।

সভায় বক্তারা বলেন, সমুদ্রবন্দরসমূহের অদক্ষতা এবং বন্দর ব্যবহারকারীদের সুষ্ঠু সেবা প্রদান না করতে পারায় অনেক ক্ষেত্রেই আমদানি-রপ্তানিকারকদের ব্যবসায়িক খরচ বেড়ে যায়, যার প্রভাব জাতীয় অর্থনীতির ওপর পড়ে। বহু প্রতীক্ষিত পদ্মা সেতু চালু হলে মংলা ও পায়রা বন্দরের গুরুত্ব অনেক বেড়ে যাবে। সুতরাং ব্যবসা-বাণিজ্যসহ দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে সব বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সেবার মান উন্নয়নে এ কমিটিকে কাজ করতে হবে।

এই কমিটির মাধ্যমে শিল্প-বাণিজ্য সহায়ক কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে সভার আলোচকরা কয়েকটি সাব কমিটি গঠনের সুপারিশ করেন।