চট্টগ্রাম, , বৃহস্পতিবার, ১৬ আগস্ট ২০১৮

সাতকানিয়ার কেরানীহাটে উচ্ছেদ অভিযান: ব্যবসায়ীদের ক্ষোভ

প্রকাশ: ২০১৮-০১-২২ ২৩:০৫:০৩ || আপডেট: ২০১৮-০১-২৩ ১২:৫৯:০১

শহীদুল ইসলাম বাবর
সিটিজি টাইমস প্রতিবেদক

দক্ষিণ চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার ব্যবসায়ীক প্রানকেন্দ্র কেরানীহাটে উচ্ছদ অভিযান চালিয়েছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। এ অভিযানে বেশ কিছু কাচা-পাকা ও অস্থায়ী স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ কেরানীহাট সিটি সেন্টার ডেভলাপারের চক্রান্তে সড়ক বিভাগ অধিগ্রহণ করা নয় এমন জায়গাতেও উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে। এতে করে নিরীহ ব্যবসায়ী ও ভূমি মালিকরা ক্ষতিগ্রস্থ। তবে দোহাজারী সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী তোফাইল মিয়া সাংবাদিকদের বলেছেন, আমাদের উচ্ছেদ অভিযানে ব্যাক্তি মালিকানাধীণ জায়গার স্থাপনা উচ্ছেদ করার কথা না। তবে কেহ যদি অভিযোগ করে থাকে তাহলে খতিয়ে দেখা হবে।

জানা যায়, সোমবার বিকালে একজন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটের নেতৃত্বে বিপুল সংখ্যক পুলিশের সহযোগিতায় দোহাজারী সড়ক ও জনপথ বিভাগ চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহা সড়ক সংলগ্ন কেরানীহাটে উচ্ছেদ অভিযান চালায়। এ অভিযানে ছোট বড় মিলিয়ে অন্তত শতাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান উচ্ছেদ করা হয়। উচ্ছেদ অভিযান শেষ হওয়ার পর কেরানীহাট ল্যান্ড ওনার্স এসোসিয়েশন এর আহবানে ব্যবসায়ীরা এক সভায় মিলিত হয়ে হয়ে বিনা নৌটিশে অর্তকিত ভাবে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার বিরুদ্ধে মঙ্গলবার সকালে কেরানীহাটে সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে মানববন্ধন কর্মসূচী পালনের ঘোষনা দেন। উচ্ছেদ অভিযানের বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে কেরানীহাট ল্যান্ড ওনার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি নেজাম উদ্দিন বলেন, কেরানীহাট সিটি সেন্টার ডেভলাপারের ষড়যন্ত্রে সড়ক বিভাগের অধিগ্রহণ নয় এমন জায়গার স্থাপনাও ভাংচুর করা হয়েছে। এতে করে ব্যবসায়ী ও ভূমি মালিকরা ক্ষতিগ্রস্থ হলো। তিনি বলেন, কেরানীহাটে বিশাল প্রসস্থ সড়ক। শুধুমাত্র যানবাহন চলাচলে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে পারলেই যানজট রোধ করা যায়। কিন্তু সেটি না করে ব্যাক্তি মালিকানাধীন জায়গায় গড়ে উঠা অনেক স্থাপনাও ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে। আমরা এর প্রতিবাদে সর্বস্তরের ব্যবসায়ী ও ভূমি মালিকদের নিয়ে মানববন্ধনসহ শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ কর্মসূচী পালন করব।

উচ্ছেদ অভিযানের বিষয়ে জানতে চাইলে দোহাজারী সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী তোফাইল মিয়া বলেন, আমরা অভিযান করব আমাদের (সড়ক বিভাগের জায়গা) জায়গা উদ্ধার করার জন্য। কোন ব্যাক্তি মালিকানাধীন জায়গা উচ্ছেদ অভিযানের আওতায় পড়ার কথা না । কেহ যদি এ ধরনের অভিযোগ করে থাকে তাহলে বিষয়টি অবশ্যই বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।