চট্টগ্রাম, , শনিবার, ১৮ আগস্ট ২০১৮

চট্টগ্রামে ধর্ষণের পর মাদ্রাসা ছাত্রীকে হত্যা

প্রকাশ: ২০১৮-০১-২২ ১৯:২৭:১৮ || আপডেট: ২০১৮-০১-২২ ১৯:২৭:১৮

ধর্ষণের পর মাদ্রাসা ছাত্রী মীমকে (৯) শ্বাসরোধে হত্যা করেছে দূর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে মনির (৩২) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

রবিবার দিনগত রাত ১০টার দিকে চট্টগ্রাম মহানগরীর আকবর শাহ থানা সংলগ্ন বিশ^ কলোনির মমতাজ ভবনের দ্বিতীয় তলার বারান্দা থেকে মাদ্রাসা ছাত্রী মীমের মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, মীমের মৃতদেহ ওই ভবনে থাকার কোন কারন খুঁেজ পায়নি পুলিশ। মীম তার পরিবারের সাথে ভবন থেকে এক কিলোমিটার দুরে ফয়েস লেক সি-ওয়ার্ল্ড এলাকায় বসবাস করতো। তার বাবার নাম মো. জামাল, মায়ের নাম রাবেয়া বেগম। তাদের বাড়ি বরিশালের ভোলায়।

পুলিশ আরও জানায়, ভবনটির মালিক জহির উদ্দিন মাহমুদ এলাকায় থাকেন না। মনির ওই ভবনের কেয়ারটেকার। তাই ভবনে মীমের মৃতদেহ পাওয়ায় পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মনিরকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

মনির জিজ্ঞাসাবাদে মেয়েটির মৃত্যু কিভাবে হয়েছে তা জানে না বলে জানান। মনির বলেন, রবিবার রাত ৯টার পর সে ভবনে ছিল না। পরে একজন ভাড়াটিয়া ফোন করে জানালে সে ভবনে গিয়ে মেয়েটির লাশ দেখতে পায়।

টিটো নামে এলাকার এক ব্যক্তি জানান, মীম ভোলায় গ্রামের বাড়িতে থাকতো। লেখাপড়ার জন্য তাকে গত বছরের শেষের দিকে চট্টগ্রামে নিয়ে এসেছে তার পরিবার। তাকে স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় ভর্তি করানো হয়। সে সব সময় তার বাসার আসে পাশেই খেলা করতো। বাসা থেকে এতো দুর এসে কিভাবে মারা গেছে সেটাই তার প্রশ্ন।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে আকবর শাহ থানার এএসআই দেলোয়ার হোসেন বলেন, থানা সংলগ্ন মমতাজ ভবন থেকে ৯ বছরের মেয়ে মীমের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারের সময় মীমের গালে, গলায় ও শরীরে আঘাতে চিহ্ন ছিল। ধারণা করা হচ্ছে শ্বাসরোধে মেয়েটির মৃত্যু হয়েছে।

আকবর শাহ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলমগীর হোসেন বলেন, লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের পর জানা গেছে ধর্ষণের পর মেয়েটিকে শ^াসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। পরে তাকে এনে ভবনে ফেলে রাখা হয়েছে। এতে ভবনটির কেয়ার টেকার জড়িত রয়েছে বলে মনে হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ধারণা করা হচ্ছে ভবনের কেয়ার টেকার মনির ঘটনা সাজিয়ে বলছে। রাতে তাকে আরও বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।