চট্টগ্রাম, , শুক্রবার, ১৭ আগস্ট ২০১৮

মামলার ফাঁদে চট্টগ্রাম বন্দরে আটকা পড়েছে সাত বিদেশি জাহাজ

প্রকাশ: ২০১৮-০১-১৫ ২১:২২:২৫ || আপডেট: ২০১৮-০১-১৫ ২১:২২:২৫

মিডল্যান্ড ব্যাংকের ঢাকার প্রধান কার্যালয়ের দায়ের করা একটি মামলার ফাঁদে চট্টগ্রাম বন্দরে আটকা পড়েছে সাতটি বিদেশি ফিডার জাহাজ।

রোববার এসব জাহাজের আটকাদেশ চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছেছে। এর আগে গত ১১ জানুয়ারি এডমিরালটি আদালত জাহাজসমূহের বিরুদ্ধে আটকাদেশ জারি করেন।

আটক জাহাজগুলো হলো- মাল্টার পতাকাবাহী কালামাতা ট্রেডার, টিজিনি, কামিল্লা, সি মাস্টার, সাইপ্রাসের পতাকাবাহী ক্যাপে সাইরস, সিঙ্গাপুর পতাকাবাহী ম্যাজেস্টিক এবং ওইএল লংকা।

বাংলাদেশ শিপিং এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান আহসানুল হক চৌধুরী মামলার প্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম বন্দরে সাতটি বিদেশি জাহাজ আটকে পরার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালে বাংলাদেশ থেকে মেসার্স গ্লোবাল অ্যাগ্রো রিসোর্সেস নামের একটি প্রতিষ্ঠান মালয়েশিয়ায় আলু রপ্তানি করে। এই আলুর আমদানিকারক ছিল ফ্রেঞ্চ ফ্রাইস মালয়েশিয়া। এসব আলুর রপ্তানি মূল্য বাবদ ১৩ লাখ ৪৯ হাজার ২১৬ ডলার পাওনা আমদানিকারক পরিশোধ না করায় পাওনার দাবিতে মিডল্যান্ড ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মাসুদুজ্জামান মামলা দায়ের করেন এডমিরালটি আদালতে। মামলায় জাহাজগুলোর বিরুদ্ধে আটকাদেশের আবেদন জানানো হয়।

এডমিরালটি আদালত আবেদন মঞ্জুর করে গত ১১ জানুয়ারি আটকাদেশ দেন। ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, মূলত ১৪টি জাহাজের বিরুদ্ধে আটকাদেশ চেয়ে মামলা দায়ের করা হলে আদালত আবেদন মঞ্জুর করেন। এর মধ্যে সাতটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে থাকায় মামলার আদেশে জাহাজগুলো তাৎক্ষণিক আটক করা হয়েছে। বাকি জাহাজগুলো বিশ্বের বিভিন্ন বন্দরে ও সমুদ্রপথে রয়েছে।

আদালত থেকে জাহাজের আটকাদেশ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে রোববার। এরপর আদালতের পুনরাদেশ ছাড়া জাহাজগুলো যাতে বাংলাদেশের জলসীমা ত্যাগ করতে না পারে সে ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।