চট্টগ্রাম, , বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮

নির্বাচনকালীন সরকারের অধীনে ২০১৮ সালের শেষে নির্বাচন

প্রকাশ: ২০১৮-০১-১২ ২৩:৫৮:২৭ || আপডেট: ২০১৮-০১-১৩ ১১:০২:৫৩

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচনকালীন সরকারের অধীনে ২০১৮ সালের শেষদিকে একাদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সরকারের চার বছরপূর্তিতে শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে তিনি একথা বলেন। প্রায় আধাঘণ্টা বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, সংবিধান অনুযায়ী ২০১৮ সালের শেষদিকে একাদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কিভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে তা আমাদের সংবিধানে স্পষ্টভাবে বলা আছে।

তিনি বলেন, সংবধিান অনুযায়ী নির্বাচনের আগে নির্বাচনকালীন সরকার গঠিত হবে। সেই সরকার সর্বোতভাবে নির্বাচন কমিশনকে নির্বাচন পরিচালনায় সহায়তা দিয়ে যাবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রপতি অনুসন্ধান কমিটির মাধ্যমে নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করেছেন। এই কমিশন ইতোমধ্যে দুটি সিটি করপোরেশন নির্বাচনসহ স্থানীয় পর্যায়ের বেশ কিছু নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার মাধ্যমে জনগণের আস্থা অর্জন করেছে।

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত সকল দল আগামী সাধারণ নির্বাচনে অংশ নিবেন এবং দেশের গণতান্ত্রিক ধারাকে সমুন্নত রাখতে সহায়তা করবেন।

এসময় জনগণকে সতর্ক করে শেখ হাসিনা বলেন, কোনো কোনো মহল আগামী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টির অপচেষ্টা করতে পারে। আপনাদের এ ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।

বিএনপিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, জনগণ অশান্তি চায় না। নির্বাচন বয়কট করে আন্দোলনের নামে জনগণের জানমালের ক্ষতি করবেন- এটা আর এদেশের জনগণ মেনে নেবে না।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে পদ্মা সেতুসহ সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের বিবরণ তুলে ধরেন। একই সঙ্গে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে জনগণের সমর্থন কামনা করেন।

গত ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে ১২ জানুয়ারি টানা দ্বিতীয় মেয়াদে সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট।

বিএনপিসহ নিবন্ধিত প্রায় তিন-চতুর্থাংশ দল ওই নির্বাচন বর্জন করে। বিনাভোটে নির্বাচিত হন সংখ্যাগরিষ্ট ১৫৩ জন সংসদ সদস্য। বাকি আসনগুলোতে আওয়ামী লীগ জোট এবং সমর্থিত কয়েকটি দল ও বিদ্রোহী প্রার্থীদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা সীমাবদ্ধ ছিল।