চট্টগ্রাম, , শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮

আবারো ভর্তি ফি বাড়তি মেরন সানে

প্রকাশ: ২০১৮-০১-১১ ২২:১৫:২৭ || আপডেট: ২০১৮-০১-১২ ২১:৩৫:৪২

ইমরান এমি.
সিটিজি টাইমস প্রতিবেদক 

শিক্ষার্থী ভর্তিতে আবারো বাড়তি ফি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে নগরীর চকবাজার মেরন সান স্কুল এন্ড কলেজের বিরুদ্ধে। কলেজের ভর্তি কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, মেরন সান ট্রাস্ট পরিচালিত মেরন সান স্কুল এন্ড কলেজ ও মেরিট বাংলাদেশ স্কুল এন্ড কলেজের চকবাজার, বহদ্দারহাট ও চান্দগাও ক্যাম্পাসে বোর্ড নির্ধারিত ফি থেকে প্রায় তিন হতে চার হাজার টাকা বাড়তি নিচ্ছে।

৪র্থ শ্রেনীর ভর্তি ভর্তি ফি চার হাজার টাকা, বার্ষিক দুটি পরীক্ষার জন্য ১ হাজার টাকা নেওয়া হচ্ছে, একইভাবে ৯ম শ্রেনীর ভর্তি ফি নেওয়া হচ্ছে ৬ হাজার টাকা। যা বোর্ড নির্ধারিত ফি থেকে ৩ হাজার টাকার মতো বেশি নিচ্ছে মেরন সান স্কুল এন্ড কলেজ কর্তৃপক্ষ।

জানা যায়, এর আগেও অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার অভিযোগ ছিলো এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। মেরন সানসহ নগরীর ১২টি বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে তখন শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) পাঠিয়েছিল চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন। তালিকায় থাকা এই ১২ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে- বাংলাদেশ এলিমেন্টারি স্কুল, চিটাগাং আইডিয়াল হাই স্কুল (জামালখান), ন্যাশনাল ইংলিশ স্কুল, মেরন সান স্কুল এন্ড কলেজ, মেরিট বাংলাদেশ স্কুল এন্ড কলেজ, ইস্পাহানি পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ, মির্জা আহমেদ ইস্পাহানি স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়, হালিশহর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ, চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক কলেজ, চিটাগাং ক্যান্টনমেন্ট ইংলিশ স্কুলসহ অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

প্রসঙ্গত, শিক্ষার্থী ভর্তি, বেতন-ফি আদায় ও ছাড়পত্র প্রদানে সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘনসহ বিভিন্ন অনিয়মে জড়িত নগরীর মোট ৪৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চিহ্নিত করে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন। একজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ছয়জনের সমন্বয়ে ৫টি টীম এসব প্রতিষ্ঠান চিহ্নিত করে। মেরন সান স্কুল এন্ড কলেজ ১৯৯৮ সালে চকবাজারস্থ কে.বি. আমান আলী রোডে ফুলতলায় প্রতিষ্ঠিত হয়। অধ্যক্ষ হিসাবে প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ সানাউল্লাহ দায়িত্ব পালন করছেন।

এবিষয়ে অধ্যক্ষ মো. সানাউল্লাহ বাড়তি ফি নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, তিন হাজার টাকার উপরে কোন ভর্তি ফি নেওয়া হচ্ছে না। প্রতিবেদক নিজেই কলেজ ক্যাম্পাসে গিয়ে সত্যতা যাচাই করে আসছে এমন কথার জবাবে তিনি বলেন, হয়তো কেউ কেউ তিন হাজার টাকা থেকে বাড়তি দিচ্ছে, তা অনুদান হিসাবেই।