চট্টগ্রাম, , বুধবার, ২২ আগস্ট ২০১৮

নগরীতে শৈত্যপ্রবাহের ফলে শিশু রোগীর চাপ বেড়েছে

প্রকাশ: ২০১৮-০১-০৯ ২২:০৫:১৩ || আপডেট: ২০১৮-০১-১০ ১৫:৩৬:৫৭

এস আনোয়ার
সিটিজি প্রতিবেদক

শৈত্য প্রবাহের কারণে নিউমোনিয়া, জ্বর, শ্বাসকষ্ট, রোটা ভাইরাসজনিত ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালে এ ধরণের রোগীর আধিক্য দেখা গেছে।

এব্যাপারে চিকিৎসকরা বলছেন, দেশে শৈত্যপ্রবাহ চলছে। ঠান্ডাজনিত আবহাওয়ার কারণে শিশুদের স্বাস্থে প্রভাব পড়ছে। শিশুরা নিউমোনিয়া, জ্বর, শ্বাস কষ্টসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এছাড়াও রোটা ভাইরাসের সংক্রমণে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা।

হাসপাতাল দুটির শিশু ওয়ার্ড ঘুরে দেখা যায়, কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা অনেকটা বেড়ে গেছে। দিন দিন এসব রোগীর সংখ্যা বাড়ছে বলে জানিয়েছেন ওইসব ওয়ার্ডের চিকিৎসক ও নার্সরা।

রবিবার মা ও শিশু হাসপাতালে জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে ছয়মাসের শিশু রায়হানকে নিয়ে হাসপাতালে আসেন বন্দরটিলার বাসিন্দা সুরমা বেগম। এ কয়দিনে এখনো ছেলের তেমন উন্নতি হয়নি। জ্বর কমলেও শ্বাসকষ্টের সমস্যা এখনো রয়েছে। সুরমা বলেন, ‘নিঃশ্বাস ফেলতে না পারায় প্রথমে স্থানীয় চিকিৎসককে দেখায়। পরে অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় সরাসরি হাসপাতালে ভর্তি করাইছি।’

চমেক হাসপাতালে মেয়েকে তানহাকে নিয়ে আসা কলি নামের এক অভিভাক বলেন, হঠাৎ করে ডায়রিয়া শুরু হয়। কয়েকঘন্টাতে অবস্থা খারাপ হয়ে যায়। পরে তাড়াতাড়ি হাসপাতালে নিয়ে আসি।

এব্যাপারে জানতে চাইলে মা ও শিশু হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. মো. আবু সাঈদ চৌধুরী বলেন, শীতে বাচ্চারা পানি কম খায়। এতে তাদের পানি শূণ্যতা দেখা দেয়। অন্যদিকে ভাইরাসের সংক্রমণও বাড়ে। এতে করে শ্বাসকষ্ট, ভাইরাসজনিত ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয় শিশুরা।’ তিনি বাচ্চাদের খাবারের উপর নিয়ন্ত্রণ, গরম কাপড় পরিধান ও ভালোভাবে পরিচর্যা করতে বলেন।

অন্যদিকে চমেক হাসপাতালের শিশু বিভাগের সহকারি অধ্যাপক নাসির উদ্দিন বলেন, ‘কয়েকদিন ওয়ার্ডে ডায়রিয়া রোগী বেশি পাচ্ছি। এছাড়াও জ্বর, নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্টের সমস্যা নিয়ে রোগী ভর্তি হচ্ছে।’ রোগাবালাই থেকে বাঁচতে বাচ্চাদের ঠান্ডা থেকে দুরে রাখতে বলেন তিনি।