চট্টগ্রাম, , মঙ্গলবার, ১৪ আগস্ট ২০১৮

সীতাকুন্ডে বনবিভাগের জায়গা দখলের মহোৎসব

প্রকাশ: ২০১৮-০১-০৫ ১৬:৫০:০৩ || আপডেট: ২০১৮-০১-০৬ ১২:২৯:৩৬

মোঃ ইমরান হোসেন
সীতাকুন্ড প্রতিনিধি

বনবিভাগের জায়গা দখলের মহোৎসব শুরু হয়েছে সীতাকুণ্ড উপকূলীয় বনাঞ্চলে। বনবিভাগের অগোচরে বিভিন্ন ব্যাক্তি-প্রতিষ্ঠানের নামে চালাছে এসব দখলদারীত্ব। স্থানীয় প্রভাবশালীরা বন বিভাগের জায়গা দখল ও বন উজাড় চলতে থাকায় চরম হুমকীর মুখে পড়েছে উপকূলীয় বনাঞ্চল।

উপকূলীয় বনবিভাগের অধীনে প্রায় ২ হেক্টর জায়গার উপর রয়েছে বনবিভাগ গড়ে তোলেছে উপকূলীয় বনাঞ্চল। নারকেল,সুপারী,গর্জনসহ কয়েক জাতের বৃক্ষে গড়ে তোলা হয় সংরক্ষিত বন ভূমি। উপকূলীয় বনায়নে গাছ লাগানোর পাশাপাশি গাছ চুরি ও প্রাণী সম্পদ রক্ষায় এক রেঞ্জ অফিসের অধীনে ৪টি বিটে সার্বক্ষনিক নিয়োজিত রয়েছে বন কর্মকর্তাসহ প্রায় ১’শ কর্মকর্তা কর্মচারীর। কিন্তু লোকবলের সংকটের মাঝে বনরক্ষায় বনবিভাগের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখা হলেও দখলের কারনে হুমকীর মুখে পড়েছে সংরক্ষিত বনাঞ্চাল। কিন্তু ইতিমধ্যে কিছু স্বার্থেন্বেষী মহল বাড়বকুন্ড,মুরাদপুর ইউনিয়নসহ কয়েকটি ইউনিয়নে দখলে নিয়েছে কয়েক’শ একর জায়গা। এছাড়া এসব এলাকায়্ বন দখলের পাশাপাশী চলছে বৃক্ষ নিধন ও জীব বৈচিত্র ধ্বংস। ফলে দখলের কবলে পড়ে চরম ঝুকির মুখে পড়েছে সোনাইছড়ি হতে সৈয়দপুর ইউনিয়দেনের সম্পূর্ন সংরক্ষিত বনাঞ্চল। দিনের পর দিন দখল-বেদখলে পড়ে ভূমি দখল-বেদখলে বন উজাড়ের সাথে বেকার হয়ে পড়ছে বন নির্ভর উপকূলের কয়েক হাজার মানুষ।

বাঁশবাড়িয়া, বাড়বকুণ্ড, মুরাদপুর, উপকূল এলাকার জনগন বলেন,‘ বছরের পর বছর বনবিভাগের শুকনো কাঠ ও পাতা ব্যবহার করা হয়েছে রান্না-বান্নায়। কিন্তু তা আজ বেদখল হয়ে কৃষি ও কর্মজীবনে তৈরী হয়েছে দুর্ভোগ। আবার উপকূলীয় অঞ্চলের বনাঞ্চল উজাড় হওয়ায় উপকূলে বসবাসরত মানুষদের জীবনে দিনে দিনে ঝুকি বেড়ে যাচ্ছে বলে আশংকা করছেন তারা। অথচ এভাবে বিভিন্ন ব্যাক্তি প্রতিষ্ঠানের দখল দারীত্বেও ফলে কোনোভাবেই বন্ধ হচ্ছে না বন বিভাগের জায়গা দখল ও বন উজাড়। নামে-বেনামে প্রভাবশালীরা ভূয়া কাগজপত্র বানিয়ে বন বিভাগের জায়গা দখলে নেয়ায় বনবিভাগ কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহনে হিমশিম খাচ্ছে বলে বনবিভাগ সূত্রে জানাযায়।

সীতাকুণ্ড উপকূলীয় রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা এম,এ কামাল উদ্দিন বলেন,‘ বন বিভাগের জায়গার সাথে সর্বসাধারনের জায়গা থাকায় বন দখল করছে দখলদাররা। তাছাড়া বাঁধের জায়গাগুলো পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধীরে থাকায় ব্যবস্থা গ্রহনে হিমশিম খেতে হয় বলে জানান তিনি।