চট্টগ্রাম, , বুধবার, ২২ আগস্ট ২০১৮

ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: যোগ দেননি নাছির, কেউ যেন শিবির না করে- হানিফ

প্রকাশ: ২০১৮-০১-০৪ ২৩:৩৬:৫২ || আপডেট: ২০১৮-০১-০৫ ১৫:২০:২৪

শিক্ষার্থীরা কেউ যেন ইসলামী ছাত্রশিবির না করে, তা বোঝাতে ছাত্রলীগকে দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেন, “যারা ছাত্রশিবির করে, তারা কী কারণে ছাত্রশিবির করে? যুদ্ধাপরাধের কারণে জামায়াতে ইসলামীর বহু নেতার বিচার ও ফাঁসি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম নগর ছাত্রলীগের ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মুসলিম ইন্সটিটিউট হলের প্রাঙ্গণে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এই আহ্বান জানান।

হানিফ বলেন, “১৯৭১ এ তারা স্বাধীনতার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে হত্যা, নির্যাতন করেছিল, বাড়িঘর জ্বালিয়ে দিয়েছিল। স্বাধীনতার পর এই বাংলাদেশে বসবাস করে, রাজনীতি করে- এখনও তারা পাকিস্তানের সৈনিক। জামায়াতে ইসলামী পরিচালিত হয় পাকিস্তান ও আইএস এর নির্দেশে। সেই দলের নেতৃত্বে কোনো ছাত্র সমাজ রাজনীতি করতে পারে না। এই কথা যারা ছাত্রশিবির করে, তাদের কাছে তোমরা তুলে ধর। কোন কারণে তারা ছাত্রশিবিরের রাজনীতি করে।”

জামায়াতের নবীনদের দলটি ছাড়ার পরামর্শ দিয়ে আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, “জামায়াতের যাদের বয়স ৫০ এর নিচে, এরা কেন দায়ভার (যুদ্ধাপরাধ) কাঁধে নেবে। তাদের অনুরোধ পদত্যাগ করে চলে আসুন। প্রগতিশীল দলে যোগ দিন, দেশের কাজ করুন। জামায়াতের রাজনীতি দেশের জনগণ দেখতে চায় না।”

 

নিজের সদ্যপ্রয়াত বাবার স্মৃতিচারণ করে নওফেল বলেন, “আমার বাবা এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী আমাকে বলেছিলেন- ‘আমরা এই রাষ্ট্রের পাইলিং শ্রমিক ছিলাম, অত্যন্ত কঠিন এবং ময়লা কাজ। মাঠে নেমে তা আমরা করেছি, ত্রিশ লক্ষ মানুষের রক্তে ভিত্তিটা করে দিয়েছি। আমাদের শিক্ষা-দীক্ষা যতটুকু ছিল তা দিয়ে একটা পাসপোর্ট দিয়ে গেছি, তোমাদের কাজ হচ্ছে বিল্ডিং বানিয়ে তার ভেতর পরিচর্যা করা’।”

চট্টগ্রাম নগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী সভায় বলেন, “ঐতিহ্য, সংগ্রাম ও সাফল্যের সংগঠন ছাত্রলীগ। আপনাদের ত্যাগের উপর আওয়ামী লীগ নির্ভর করে। এমন কোনো কাজ করবনে না, যাতে সংবাদপত্রে খারাপ শিরোনাম হয়।”

সভায় আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, চট্টগ্রাম নগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন, আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চু, কোষাধ্যক্ষ আবদুচ ছালাম, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান বক্তব্য রাখেন।

নগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের এই সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখার কথা থাকলেও তিনি অনুষ্ঠানে যোগ দেননি।