চট্টগ্রাম, , বুধবার, ১৫ আগস্ট ২০১৮

চট্টগ্রামে থানায় হামলার পরিকল্পনা করেছিল জেএমবি’র আত্মঘাতী দলের দু্ই সদস্য

প্রকাশ: ২০১৮-০১-০২ ১৯:৩৭:২৫ || আপডেট: ২০১৮-০১-০৩ ১১:৩৫:৩২

চট্টগ্রাম নগরীর সদরঘাট থানার শুভপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে গ্রেফতার দুইজন নব্য জেএমবির আত্মঘাতী দলের সক্রিয় সদস্য। হামলার জন্য তারা সদরঘাট থানাকে টার্গেট করেছিল।

মঙ্গলবার দুপুরে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য জানান নগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-কমিশনার হাসান মোহাম্মদ শওকত আলী।

তিনি বলেন, গ্রেফতার দুইজনের কাছ থেকে নেভি ব্লু রংয়ের কাপড়ের সুইসাইডাল বেল্ট উদ্ধার করা হয়েছে। আমরা যতটুকু জেনেছি তারা দুই নব্য জেএমবি সুইসাইডাল ইউনিটের সক্রিয় সদস্য।

হাসান মোহাম্মদ শওকত আলী বলেন, গ্রেফতাররা পুলিশ বাহিনীর মনোবল ভেঙে দেয়ার মাধ্যমে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি, আঘাত ও আক্রমণ করে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বিপন্ন করতে আত্মঘাতী বোমা হামলার পরিকল্পনা করেছিল। সদরঘাট থানাকে তারা টার্গেট করেছিল। কারণ সেখানে আমাদের ট্রাফিক পুলিশের অফিস আছে। যেখানে সাধারণ মানুষের সমাগম হয়। জায়গাটিকে নিরাপদ ভেবে তারা টার্গেট করেছে।

নব্য জেএমবির এই ইউনিটে কতজন সদস্য ছিল জানতে চাইলে নগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-কমিশনার বলেন, প্রাথমিকভাবে আমরা জানতে পেরেছি গ্রেফতার দুই জন ডন নামে একজনের নির্দেশনায় এই পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। আমরা এখন পর্যন্ত তার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ কোনো তথ্য পাইনি। আমরা ধারণা করছি ডন তার সাংগঠনিক নাম। তার অন্য নাম থাকতে পারে। আমরা তাকে ধরার চেষ্টা করছি।

উল্লেখ্য, সোমবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে সদরঘাট থানাধীন শুভপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকার একটি পাঁচ তলা ভবনের পঞ্চম তলা থেকে পুলিশ জেএমবির দুই সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়।

এরা হলেন- আশফাকুর রহমান ওরফে আবু মাহের আল বাঙালি ওরফে রাসেল ওরফে সেলেবী তিতুস (২২) ও রাকিবুল হাসান ওরফে জনি ওরফে সালাউদ্দিন আইয়ুবী ওরফে আবু তাইসীর আল বাঙালি (১৯)।

এ সময় তাদের কাছ থেকে ১০টি তাজা গ্রেনেড, একটি টার্গেট-১ লেখা স্কেচম্যাপ, একটি T-1 লেখা স্কেচম্যাপ, দুটি নেভি ব্লু কালারের সুইসাইডাল বেল্ট, দুটি মোবাইল উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।