চট্টগ্রাম, , শনিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮

‘ ফটিকছড়িতে অা’লীগের গ্রুপিং এর জের ছাত্রলীগেও’

প্রকাশ: ২০১৮-০১-৩১ ২১:২২:১৮ || আপডেট: ২০১৮-০১-৩১ ২১:২২:১৮

একাংশের বর্জনের মধ্য দিয়ে চলছে ফটিকছড়ি উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি-সম্পাদক পদে ভোট

মীর মাহফুজ অানাম
সিটিজি টাইমস

বহুল অালোচিত ফটিকছড়ি উপজেলা ছাত্রলীগের সম্মেলন দীর্ঘ ২১ বছর পর সম্পন্ন হতে চলেছে। গত ২৬ জানুয়ারি সম্মেলনের প্রথম অধিবেশন শেষে ছয় দিন পর দ্বিতীয় অধিবেশনে সভাপতি সম্পাদক পদে ভোট গ্রহন অনুষ্টিত হচ্ছে। তবে, এই অধিবেশনকে বর্জন করে প্রার্থীতা ও ভোট প্রদান থেকে বিরত রয়েছেন উপজেলা ছাত্রলীগের একটি অংশ। অাজ (বুধবার) বিকাল থেকে ফটিকছড়ির সদরের জে.ইউ পার্কে ভোট গ্রহণ শুরু হয়।

ছাত্রলীগের একাংশের বর্জন ও একাধিক প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পর সর্বশেষ সভাপতি পদে লড়ছেন ২ জন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন ২ জন।
সভাপতি পদে লড়ছেন মোহাম্মদ জামাল ও খায়রুল অামিন। সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন রায়হান রুপু ও নজরুল।

নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করছেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক অাবু তৈয়ব।

উল্লেখ্য, উপজেলা ছাত্রলীগের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে ৭ জন ছিলেন সভাপতি পদের প্রার্থী, আর ১৩ জন ছিলেন সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী। ২০ জন প্রার্থীর মধ্যে ৪ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

এখানে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ শ ৬৫ জন। যার মধ্যে উপজেলার ৫টি কলেজ, ২টি পৌরসভা ও ১৭ ইউনিয়নে ২’শ ৫০ জন এবং উপজেলা ছাত্রলীগ সদস্য ১’শ ১৫ জন।

অপরদিকে, ভোট গ্রহণকে কেন্দ্র করে ব্যাপক প্রশাসনিক নিরাপত্তা নেয়া হয়েছে। সতর্ক অবস্থানে রয়েছে অাইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।

উপজেলা ছাত্রলীগের একটি অংশ ভোট বর্জনের ঘোষণা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেইসবুকে কয়েকদিন পূর্ব থেকে জানান দিয়ে অাসছিলেন। স্ট্যাটাসে অনেকে উল্লেখ করেছেন, কাউন্সিলরদের নামের তালিকা প্রকাশ করতে বিলম্ব করায় তারা প্রচার প্রচারণা করারর যতেষ্ট সময় পাননি। তারা প্রচার প্রচারণার জন্য সময় চেয়েও উত্তরজেলা ছাত্রলীগের সাড়া না পাওয়াতে বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন। তবে, একাধিক ছাত্রনেতাদের মতামত, মূলত তাদের মুরব্বি সংগঠন অা’লীগের মধ্যে ফটিকছড়িতে উপজেলা অা’লীগ ও অাওয়ামী পরিবার নামে যে গ্রুপিং রয়েছে তার জেরের প্রভাব এসেছে ছাত্রলীগের এ সম্মলনে।