চট্টগ্রাম, , মঙ্গলবার, ২১ আগস্ট ২০১৮

হালদার বুকে ড্রেজার, হুমকিতে জীববৈচিত্র

প্রকাশ: ২০১৮-০১-২৬ ১০:৫৯:১১ || আপডেট: ২০১৮-০১-২৬ ২২:১১:৪৩

এম আই খলিল
প্রধান প্রতিবেদক. সিটিজি টাইমস

দেশের প্রাকৃতিক মৎস প্রজননক্ষেত্র হালদা নদীর বুকে শত শত ড্রেজার। এ নদীতে যেমন চলাচল করছে ড্রেজার চালিত নৌকা। তেমনি ড্রেজার দিয়ে উত্তোলন করা হচ্ছে বালু। রাজনৈতিক পরিচয়ে গুটি কয়েক প্রভাবশালী হায়েনা এই ড্রেজার ব্যবহার করে প্রতিদিন লুটে নিচ্ছে কোটি টাকার সম্পদ।

যা দেশের ১৬ কোটি মানুষের, রাষ্ট্রের। হায়েনাদের কবলে এই হালদা নদী ক্রমেই ক্ষত-বিক্ষত হচ্ছে। বিপন্ন হচ্ছে মৎস্যকুল, বিরল প্রজাতীর ডলফিন। ধ্বংস হচ্ছে মানুষের কল্যাণে ব্যবহার উপযোগি অমূল্য জীববৈচিত্র।

হালদা নদী সারাবিশ্বে কার্প জাতীয় মাছের প্রজনন ক্ষেত্র হিসেবে পরিচিতি পেলেও এতে পাওয়া যায়, রুই, মৃগেল, কাতলা, কালবাউশ, চিতল, বোয়াল, মাগুর, আইঁড়সহ নানা মৎস্যকুল। শিং, টাকি, শৈল, বাইম, পুই, পুটি, বাইলা, চিড়িং, সরপুটি ও কয়েক প্রজাতীর চিংড়ীসহ দেশীয় প্রজাতির সুস্বাদু মাছ।

এসব মাছের প্রজনন ক্ষেত্র হিসেবেও হালদা নদীর বিকল্প নেই বলে জানান চট্টগ্রাম জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মমিনুল হক। এছাড়া এ নদীতে বিরল প্রজাতীর গাঙ্গেয় ডলফিনসহ নানা জীববৈচিত্র রয়েছে। যা মানুষের জন্য ¯্রষ্টার আশীর্বাদ বলে মত প্রকাশ করেন তিনি।

তিনি বলেন, গত কয়েক দশক ধরে দখল দূষণের পাশাপাশি বর্তমানে ড্রেজারে বিপন্ন হালদা নদী। ইঞ্জিন চালিত নৌকায় ব্যবহৃত ড্রেজারের প্রপেলার আর বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত ড্রেজারে এ নদীর মৎস্যকুল ধ্বংসের পথে। মরে ভেসে উঠছে বিরল প্রজাতীর ডলফিনও। হারিয়ে যাচ্ছে মূল্যহীন নানা জীববৈচিত্র।

মরছে ডলফিন ও মৎস্যকুল:
হালদা নদীর পানিতে প্রায় ভাসতে দেখা যায় নানা প্রজাতীর মাছ। গত কয়েকবছর ধরে এ নদীতে মরে ভেসে উঠছে বিরল প্রজাতীর গাঙ্গেয় ডলফিনও। যা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অব নেচার (আইইউসিএন) লাল তালিকায় বিপন্ন হিসেবে অন্তর্ভুক্ত।

২০১২ সালের বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনের তফসিল-১ অনুসারে এই প্রজাতির ডলফিন সংরক্ষিত। এসব প্রাণী হত্যা করলে দোষিদের আইনের আওতায় আনার ব্যবস্থা রয়েছে ওই তফসিলে।

কিন্তু ড্রেজারের কারনে গত কয়েকবছর ধরে হালদা নদীতে একের পর এক গাঙ্গেয় ডলফিন মরে ভেসে উঠলেও দোষিদের নিরুপণ করে আইনি কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে জানান হালদা নদী গবেষণা প্রতিষ্ঠান হালদা রিভার রিসার্চ ল্যাবরেটরির কো-অর্ডিনেটর ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মনজুরুল কিবরিয়া।

তিনি বলেন, চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি থেকে ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত হালদা নদীতে চারটি সংরক্ষিত বিরল প্রজাতীর ডলফিন মরে ভেসে উঠেছে। এর আগে গত বছর অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত তিন মাসে মারা গেছে আরও ১৩টি ডলফিন। সেই সাথে মারা যাচ্ছে অসংখ্য মাছও।

তিনি বলেন, মাছ সবাই খায়, তাই মরে ভেসে উঠার পর কারও হাতে পড়লে তা নিয়ে যায়। ডলফিন সবাই খায় না, ওজনে বড় হওয়ায় মাছের মতো লুকিয়েও নিয়ে যেতে পারে না। ফলে তা প্রকাশ পাচ্ছে। আবার কিছু কিছু যে চোখের আড়ালে যাচ্ছে না তা-ও নয়। এ থেকে বুঝা যায় হালদা নদীর মৎস্যসহ প্রাণীকুল কত বড় হুমকিতে আছে।

তিনি বলেন, ময়না তদন্তের পর মৃত ডলফিনগুলোর কবর দেওয়া হয়। যাতে ডলফিনগুলোর হাড় তুলে পরে গবেষণা কাজে ব্যবহার করা যায়। ময়নাতদন্তে প্রতিটি ডলফিনের শরীরের জখমের চিহ্ন পাওয়া যায়। এমনকি মৃত ডলফিনের শরীর ফুলাও। এ থেকে অনুমেয়, ড্রেজারের প্রপেলারের আঘাতেই ডলফিনগুলো মারা পড়ছে।

তিনি বলেন, হালদা নদীতে মৎস্য, ডলফিনসহ প্রাণীকুলের উপর আঘাত আসার কয়েকটি কারন রয়েছে। এরমধ্যে কলকারখানার বর্জ্য ও নদী দখল রয়েছে। তবে অন্যতম হচ্ছে ড্রেজার চালিত নৌকা। যা দিয়ে বালু পরিবহন করা হয়। আরেকটি হচ্ছে বালু উত্তোলনের ড্রেজার। যে ড্রেজারের আঘাতে মরছে মাছ ও ডলফিন।

যেভাবে হচ্ছে বালু তোলা ও পরিবহণ :
পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ির বাদনাতলী পর্বতশৃঙ্গ থেকে নেমে আসা হালদা নদী কর্ণফুলীতে গিয়ে মিশেছে। এ নদীর দৈর্ঘ্য প্রায় ৮০ কিলোমিটার। এর সাথে যুক্ত আছে ১৭টি খাল।

এ নদীর ৪০ কিলোমিটার অংশ চট্টগ্রামের হাটহাজারী ও রাউজান উপজেলার দখলে। যার বিস্তৃত এলাকাজুড়ে চলছে বালু তোলার হিড়িক। গত ৮-৯ বছর ধরে এ নদীর বিভিন্ন এলাকায় ড্রেজার বসিয়ে বালু তুলছে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের পরিচয়ে প্রভাবশালী হায়েনারা।

যারা প্রতিটি ড্রেজার দিয়ে দৈনিক লাখ টাকার বালু তোলে বিক্রয় করছে। যার অর্থ স্থানীয় প্রশাসনের পকেটেও যায় বলে অভিযোগ একই দলের প্রতিপক্ষদের মাঝে।

প্রতিপক্ষদের অভিযোগ, কোনরকম অনুমতি ছাড়াই হালদা নদীর হাটহাজারী ও রাউজান পাড়ের ৪০ কিলোমিটার এলাকার ৮০-৮৫ স্থানে ড্রেজার বসিয়ে বালু তোলা হচ্ছে। স্থানীয় ছাত্রলীগ-যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের নেতা পরিচয়ে এসব বালু তোলা হচ্ছে।

হাটহাজারী উপজেলার গড়দুয়ারা এলাকার হালদা পাড়ের বাসিন্দা শিক্ষক শিমুল মহাজন জানান, গড়–দয়ারায় এক কিলোমিটারের মধ্যে দুটি ড্রেজার বসিয়ে বালু তোলা হচ্ছে। এতে ড্রেজারে আওয়াজে আশপাশের স্কুলে পড়ালেখা চালানো কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। সাধারণ মানুষ ঘরের মধ্যে টিকতে পারে না। এভাবে চললে অকালে বধির হয়ে যাবে নদী পাড়ের মানুষ।

তিনি বলেন, বালু তোলার কারনে গড়দুয়ারার বসতঘর নদী ভাঙনের মুখে পড়েছে। একইভাবে শুধুমাত্র বালু তোলার কারনে হালদা নদীর ৪০ কিলোমিটার জুড়ে দু‘তীরে ভাঙন চলছে। সরকার ভাঙন রোধে কোটি টাকা ঢাললেও বালু তোলা বন্ধে কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। স্থানীয় লোকজন প্রতিবাদ করলে তাকে এলাকাছাড়া হতে হচ্ছে।

রাউজানের কাগতিয়া কাসেমনগর এলাকার বাসিন্দা মোস্তফা কবির জানান, স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা আবু তাহের মেম্বারসহ এলাকার কয়েকজন ড্রেজার বসিয়ে বালু তুলছে। কিন্তু আবু তাহের মেম্বার বলেন, তিনি বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত নন। কারা বালু উত্তোলন করছে তাও তিনি জানেন না।

স্থানীয়রা জানান, হালদা নদী থেকে অবৈধভাবে প্রতিদিন লাখ লাখ ঘনফুট বালু তুলে রাউজান-হাটহাজারীর বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। ড্রেজার দিয়ে বালু তোলায় ওই সব বালু তুলনামূলকভাবে কম মূল্যে বিক্রি করতে পারে বালু খেকোরা।

এ কারণে ডুব দিয়ে (সনাতন পদ্ধতিতে তোলা) নদী থেকে বালু তোলে বিক্রি করা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা তাঁদের ব্যবসাও বন্ধ করে দিতে বাধ্য হচ্ছেন।

রাউজানের পশ্চিম গুজরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান লায়ন সাহাবুদ্দিন আরিফ সিটিজি টাইমসকে বলেন, হালদা নদী থেকে অবৈধভাবে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন যেমন হচ্ছে। আবার জেলা প্রশাসন থেকে গহিরার কোতোয়ালী ঘোনায় বালুমহাল ইজারা দেওয়া হয়েছে। সেখানেও ডুব বা শাবল দিয়ে সনাতন পদ্ধতিতে বালু না তুলে ড্রেজার দিয়ে বালু তোলা হচ্ছে।

তিনি বলেন, শুধু ড্রেজার দিয়ে তোলা হচ্ছে তা নয়, ড্রেজার চালিত নৌকা দিয়ে রাতে ও দিনে সমানে বালু পরিবহণ করে চট্টগ্রাম শহরের বিভিন্ন স্থানে বিক্রী করা হচ্ছে। এই ড্রেজারের আঘাতে মৎস্যসহ নানা প্রাণীকুলের প্রাণহানী ঘটছে।

রাউজান উপজেলা মৎস কর্মকর্তা নাজিম উদ্দিন বলেন, হালদা নদী থেকে ড্রেজার দিয়ে প্রতিদিন বালু উত্তোলন করায় মৎস্য প্রজনন হুমকির মুখে পড়েছে। বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য ড্রেজারের মালিকের নাম, ঠিকানা ও বালু উত্তোলনের ¯পটগুলোর তালিকা করে সংশ্লিষ্ট ইউএনও এবং জেলা মৎস্য কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু বালু তোলা বন্ধ হয়নি।

হালদা বিশেষজ্ঞ মনজুরুল কিবরিয়ার ক্ষোভ :
হালদা নদী গবেষণা প্রতিষ্ঠান হালদা রিভার রিসার্চ ল্যাবরেটরির কো-অর্ডিনেটর ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মনজুরুল কিবরিয়া ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, হালদা নদীতে মৎস্য ভান্ডারের পাশাপাশি জীববৈচিত্রের ভান্ডারের বিষয়টি তুলে ধরে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে একাধিক প্রতিবেদক পাঠানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে হালদা নদী যে দেশের অমুল্য সম্পদ ও পরিবেশ রক্ষায় এর ভুমিকার মহাতœ তুলে ধরা হয়েছে। হালদা নদীকে ঘিরে সভা-সেমিনার হয়েছে। চলচ্ছিত্র নির্মিত হয়েছে। দেশের সচেতন মহল হালদার মূল্যায়ন বুঝলেও সরকার বিগত বছরে এ নদী রক্ষায় কোন উদ্যোগ নেয়নি।

তবে আশার বাণি হচ্ছে-প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অবশেষে বুঝতে পেরেছেন। হালদা নদী রক্ষায় তিনি উদ্যোগ নিয়েছেন। এ উদ্যোগ যত দ্রুত বাস্তবায়ন সম্ভব ততই দেশ ও মানুষের জন্য মঙ্গলজনক।

তিনি বলেন, হালদা নদীতে নিয়মিত ডলফিন মারা যাওয়ার চিত্র বিপজ্জনক। সারাবিশ্বে এ প্রজাতীর ডলফিন ১১০০-১২০০টি আছে। এরমধ্যে হালদা নদীতেই আছে এমন ২০০-২৫০টি ডলফিন। যেগুলো দখল, দূষণ ও ড্রেজারের কারণে বিপদসংকুল। পাশাপাশি রুই, কাতলা, মৃগেল, কালবাউশ, বোয়াল মাছসহ নানা প্রজাতীর মা-মাছ মারা পড়ছে। এটি আমাদের জন্য অশনি সংকেত।

তিনি বলেন, বালু তোলা ও যন্ত্রচালিত নৌযান চলাচল বন্ধসহ দখল দূষণ থেকে হালদার জীববৈচিত্র আমাদের রক্ষা করতে হবে। অন্যথায় আমাদের অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে যাবে। নদীটিকে ইকোলজিক্যালি ক্রিটিক্যাল এরিয়া (ইসিএ) ও ডলফিনের অভয়াশ্রম ঘোষণার দাবি জানান তিনি।

অনুসন্ধানে নেমেছে মৎস্য অধিদপ্তর :
মৎস্যকুল ও ডলফিনের মৃত্যু এবং জীববৈচিত্রের বর্তমান পরিস্থিতি জানতে মাঠে নেমেছেন চট্টগ্রাম জেলা ও উপজেলা মৎস্য অফিসের কর্মকর্তারা।

চট্টগ্রাম জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মমিনুল হক এ প্রসঙ্গে বলেন, হালদা নদীতে কার্প জাতীয় মাছের পাশাপাশি ৩৯ প্রজাতীর দেশীয় মাছ পাওয়া যেত। যা ১৯৮০ সালের জরীপের তথ্যে নিহীত। কিন্তু বর্তমানে অনেক প্রজাতীর মাছ নেই। মারা পড়ছে ডলফিনও। তাই জলজপ্রাণীকুলের পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে অনুসন্ধানে নেমেছে জেলা মৎস্য অফিস।

ডলফিনের মৃত্যু প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জখমের চিহ্ন থেকে ধারণা করা হচ্ছে ড্রেজারের আঘাতে ডলফিন ও মাছের মৃত্যু হচ্ছে। তবে সেটা আসলে কি না এখনই বলতে পারছি না। আগামী দুই-তিনদিন নদীতে ঘুরে আমরা এর কারণ অনুসন্ধানের চেষ্টা করব। তারপর বলতে পারব, কেন ডলফিন ও মাছ মারা পড়ছে।

তিনি জানান, হালদা নদীতে যে ডলফিনের দেখা মেলে তা গাঙ্গেয় ডলফিন প্রজাতির। ইংরেজিতে একে বলা হয় এধহমবং জরাবৎ উড়ষঢ়যরহ; এর বৈজ্ঞানিক নাম চষধঃধহরংঃধ মধহমবঃরপধ। স্থানীয়ভাবে একে বলা হয় হুতুম বা শুশুক। এদের চোখ নেই। মূলত ইকো সাউন্ড দিয়ে এরা চলাফেরা ও খাবার সন্ধান করে। এদের শরীরের গঠনও নরম প্রকৃতির। ড্রেজারের প্রপেলার বা অন্য কোনো অংশের আঘাত এরা সহ্য করতে পারে না। তাই ড্রেজার চালিত নৌকা চলাচল বন্ধের সুপারিশ অনেক আগেই করেছি আমরা।

হাটহাজারী ও রাউজান ইউএনও‘র বক্তব্য :
হালদা নদী থেকে বালু উত্তোলন প্রসঙ্গে রাউজান উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামীম হোসেন রেজা বলেন, নদীর রাউজান অংশে গহিরা কোতোয়ালী ঘোনা এলাকায় জেলা প্রশাসন একটি বালুমহাল ইজারা দিয়েছে। কিন্তু অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে একাধিকবার অভিযান চালিয়ে ড্রেজার আটক ও জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

একই কথা বলেছেন হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা আকতার উন নেছা শিউলী। উভয় ইউএনও বলেন, হালদা নদীর মা মাছ ও জীববৈচিত্র রক্ষায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চালানো হবে।