চট্টগ্রাম, , বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮

চুয়েটে হাল্ট প্রাইজের ফিনালে

প্রকাশ: ২০১৭-১২-১৬ ১৭:৫৩:৩৪ || আপডেট: ২০১৭-১২-১৬ ১৭:৫৩:৩৪

চুয়েটে হয়ে গেলো হাল্ট প্রাইজের ক্যাম্পাস রাউন্ডের ফাইনাল । উক্ত প্রতিযোগীতায় প্রাথমিকভাবে অনলাইনে ৬৮টি দল অংশ নেয় এবং এর থেকে বেছে নেয়া ৩১ টি দল নিয়ে গত ৮তারিখ অনুষ্ঠিত হয় হাল্টের ক্যাম্পাস রাউন্ডের সেমিফাইনাল। সেমিফাইনালে নির্বাচিত ৬ টি টিম নিয়েই ১৫ই ডিসেম্বর রাতে চুয়েট অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় হাল্টের ফাইনাল রাউন্ড।

হাল্ট প্রাইজ,আন্তর্জাতিক বিজনেস আইডিয়া প্রতিযোগীতা। এবারের হাল্টের মূল বিষয় ছিলো শক্তির রূপান্তর ব্যাবহার করে ১ কোটি মানুষের জীবন বদলানো।

চুয়েটে অনুষ্ঠিত হাল্ট প্রাইজের ফাইনালে বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এএনজেড প্রপার্টিজ লি. এর প্রধান পরিচলন কর্মকর্তা প্রকৌশলী তানভীর শাহরিয়ার রিমন, তাজরিন এন্টারপ্রাইজের চেয়ারম্যান রুম্মান আহমেদ, চট্টগ্রাম জুনিয়র চেম্বারের পরিচালক প্রকৌশলী এস এম ইশতিয়াক-উর-রহমান , নোবেলিটি ইঞ্জিনিয়ারিং এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ ইন্তেখাব আলম ।

৬টি দল নিজেদের আইডিয়াগুলো দর্শকদের সামনে উপস্থাপন শেষে বিচারকদের রায়ে চ্যাম্পিয়ন হয় ‘ইন সার্চ অব ইলোমিনেশন’ দলটি এবং রানারসআপ হয় ‘চুয়েট ইগনাইটার’। চ্যাম্পিয়ন দলের সদস্যরা হলেন জোবায়ের হোসেন তাকি, ইফফাত হোসেন রোশনি এবং মায়েশা মালিহা।

বিজয়ী দলের এবারের আইডিয়া ছিলো তারা প্রতিটি ঘরবাড়িকেই একেকটা পাওয়ার সাপ্লায়ার এবং ইউজার হিসেবে ব্যবহার করে বর্তমানে বিরাজমান শক্তির সমস্যা সমাধান করবেন এবং মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন ঘটাবেন।

হাল্ট প্রাইজ প্রতিযোগিতার চুয়েটের ক্যাম্পাস ডিরেক্টর মোহাম্মদ আশিকুর রহমান বলেন, হাল্ট প্রাইজ আন্তর্জাতিকভাবে প্রসিদ্ধ একটি সামাজিক ব্যবসা প্রতিযোগিতা। একে ছাত্রছাত্রীদের নোবেল পুরস্কারও বলা হয়।বর্তমান সমাজে বিরাজমান সমস্যাগুলো সমাধানে তরুণ মেধাবী মস্তিষ্ক গুলোকে কাজে লাগানো এবং তাদেরকে উদ্যোগী করার মাধ্যমে সমস্যাগুলোর সমাধান করাই এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।

চুয়েটের হাল্টের ক্যাম্পাস রাউন্ডের বিজয়ী এই দল হাল্টের আঞ্চলিক রাউন্ডে অংশগ্রহণের সরাসরি সুযোগ পাচ্ছেন এবং হাল্টের চূড়ান্ত রাউন্ডের বিজয়ী দল পাবেন ১০ লক্ষ ডলার যা দিয়ে তারা তাদের আইডিয়া বাস্তবে রূপ দেবেন।

এবারের চুয়েটের হাল্ট প্রাইজের ক্যাম্পাস রাউন্ডের ফাইনালে স্পন্সরশীপের শিরোনামে ছিলো কেওয়াই স্টিল ।সাথে ছিল একে ইন্জিনিয়ারিং । অনু্ষ্ঠানে কোস্পন্সর হিসেবে আরো ছিলো বারকোড ক্যাফে এবং নোবেলিটি ইন্জিনিয়ারিং । অনুষ্ঠান ডকুমেন্টেশনে ছিলো চুয়েট ফটোগ্রাফিক সোসাইটি ।