চট্টগ্রাম, , বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮

বিএনপির অবস্থা হবে মুসলিম লীগের মতো: কাদের

প্রকাশ: ২০১৭-১২-০৪ ১৬:৩৭:০৭ || আপডেট: ২০১৭-১২-০৪ ১৬:৩৭:০৭

বিএনপির কথামালার চাতুরী ছাড়া কোনো পুঁজি নেই বলে মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, দলটি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে না এলে এর পরিণতি মুসলিম লীগের মতো হবে। অবশ্য নিজেরাও জানে, তারা আগামী নির্বাচনে না এলে মুসলিম লীগের মতো করুণ পরিণতি তাদের জন্য অপেক্ষা করছে।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী সোমবার সকালে কক্সবাজারে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান থেকে রোহিঙ্গাদের জন্য ত্রাণ ও নগদ টাকা গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শামীম, সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল, আশেক উল্লাহ রফিক, আবদুর রহমান বদি, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা, সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, পাহাড়ে শান্তি ফেরাতেই আওয়ামী লীগ সরকার শান্তিচুক্তি করেছিল। এই চুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়নে পাহাড়িদের নেতা জনসংহতি সমিতির চেয়ারম্যান সন্তু লারমার সাথে বৈঠকে বসা হবে বলেও জানান তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির আসলে কোনো পুঁজি নেই। বিএনপির একটাই পুঁজি—কথামালার চাতুরী, স্ট্যান্ডবাজি এগুলো ছাড়া তাদের আর কোনো পুঁজি নেই। যতই দিন যাচ্ছে, তাদের নেতিবাচক রাজনীতিকে অব্যাহত রেখে ক্রমাগত মিথ্যাচারের ভাঙা রেকর্ড বাজাতে বাজাতে তারা এখন এমন অবস্থায় উপনীত হয়েছে…।

সিনিয়র এ মন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনার সরকার দেশে জঙ্গিবাদকে যেভাবে মোকাবিলা করে জঙ্গি সমস্যার সমাধান করেছে, ঠিক সেভাবেই রোহিঙ্গা সংকটও মোকাবিলা করে তা সমাধান করবে। দেশের একটি দল ছাড়া বিশ্বের সবাই রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশ সরকারের প্রশংসা করছে।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের কারণে বর্তমানে কক্সবাজারে খুবই অস্বস্তিকর অবস্থা তৈরি হয়েছে। কক্সবাজারের অর্থনীতি-পরিবেশ-পর্যটন ও প্রকৃতির ওপর প্রচণ্ড চাপ বেড়েছে। ছোট এই শহরটিতে দীর্ঘদিন রোহিঙ্গাদের চাপ সহ্য করা সম্ভব নয়।

তাই দ্রুততম সময়ের মধ্যে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো সম্ভব না হলে রোহিঙ্গাদের কিছু অংশকে ভাসানচরে স্থানান্তরের ব্যবস্থা করবে সরকার। যেসব দেশ রোহিঙ্গাদের প্রতি সহানুভূতিশীল, তারাও রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিতে পারে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরো বলেন, বাংলাদেশকে তিন দফায় বন্যা মোকাবিলা করতে হয়েছে। তার ওপর রোহিঙ্গা সমস্যাসহ নানা কারণে অর্থনৈতিক চাপ বেড়েছে। তাই চাপ কমাতে বিকল্প চিন্তা করছে সরকার।

অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য সামসুল হক চৌধুরী ২০ লাখ টাকা, সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরী ২০ লাখ, খন্দকার রুহুল আমিন ১০ লাখসহ বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান টাকা হস্তান্তর করে। এ ছাড়া এয়ারবেল ডেভেলপমেন্টসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ওষুধ সামগ্রীসহ ত্রাণ হস্তান্তর করে।