চট্টগ্রাম, , শনিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৮

সৌদির উদার ইসলাম নীতিকে জাতিসংঘের স্বাগত

প্রকাশ: ২০১৭-১০-৩০ ১৪:১৫:৫৭ || আপডেট: ২০১৭-১০-৩০ ১৪:১৫:৫৭

সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের উদারপন্থী ইসলাম নীতিকে স্বাগত জানিয়েছ জাতিসংঘ। যুবরাজের সংস্কার পদ্ধতিকে প্রশংসনীয় পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেছেন সংস্থাটির এক কর্মকর্তা।

জাতিসংঘের সাংস্কৃতিক অধিকার বিষয়ক বিশেষ দূত কারিমা বেনুন এ মন্তব্য করেছেন। তবে তিনি মনে করেন এ নীতিতে আরো কিছু সংস্কারের জায়গা রয়েছে।

গত সপ্তাহে ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ আলোচনা অনুষ্ঠানে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান তার রাজ্যের কট্টর নীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর পরিকল্পনা জানিয়েছিলেন।

তিনি বলেছিলেন, সৌদি আরব উদার ইসলামের নীতিতে ফিরে যাবে যা সব ধর্মের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। চরমপন্থার উৎসকে দ্রুতই উৎখাত করবেন বলে জানিয়েছিলেন তিনি।

কারিমা বেনুনের বরাত দিয়ে আরব নিউজের খবরে জানা যায়, বাস্তবিক অর্থে ইসলামের উদার নীতিতে ফিরে যাওয়া ও তা সত্যিকার অর্থে বাস্তবায়ন হচ্ছে কিনা তা দেখা অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ।

আলজেরিয়ান-মার্কিন বংশোদ্ভূত ও ক্যালিফোর্নিয়া ডেভিস আইন স্কুলের অধ্যাপক বেনুন গত মাসে সৌদি নারীদের গাড়ি চালানোর অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্তকেও সাধুবাদ জানান।

সৌদি যুবরাজের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে আরো সহনীয় ও বহু মতবাদের সমাজ তৈরিতে কিছু পরামর্শ দিয়েছেন বেনুন।

তিনি বলেন, নারীরা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সময় বেশ চাপের মুখোমুখি হন। নারীর পোশাক আর তা নিয়ে শাস্তি নিয়ে কড়াকড়ি কমানোর পরামর্শ দেন বেনুন।

কারিমা বেনুন মানবাধিকার বিষয়ক আইনজীবী হিসেবে দুই দশকের বেশি সময় ধরে কাজ করছেন। ২০১৫ সালের অক্টোবরে তিনি জাতিসংঘের বিশেষ দূত হিসেবে নিয়োগ পান। তিনি জেনেভা বিষয়ক মানবাধিকার কাউন্সিলের আওতায় কাজ করলেও সরকার এবং বিশ্ব পরিস্থিতি নিয়ে স্বাধীনভাবে আলোচনা করেন।

সৌদি যুবরাজের পরিকল্পনা অনুযায়ী আরবের অর্থনীতিকেও নতুন করে সাজাতে দেশটি ভিশন-২০৩০ হাতে নিয়েছে। এই ভিশনে তেলের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে প্রযুক্তিখাতকে আরও বিকশিত করতে চান তিনি। আয়ের আরও নতুন নতুন কিছু ক্ষেত্র ভিশন-২০৩০ বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে সৃষ্টি হবে বলে আশা যুবরাজের।