চট্টগ্রাম, , মঙ্গলবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৮

সীতাকুন্ডে ১২শ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহনে ‘নাহার স্কলারশীপ’ সম্পন্ন

প্রকাশ: ২০১৭-১০-২৭ ২১:২০:০৬ || আপডেট: ২০১৭-১০-২৭ ২১:২০:০৬

মোঃ ইমরান হোসেন
সীতাকুন্ড প্রতিনিধি

সীতাকুণ্ডে ১২’শ ছাত্র/ছাত্রীদের স্বতস্ফূর্ত অংশগ্রহনের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হল ঐতিহ্যবাহী নাহার স্কলারশীপ-২০১৭। ২৭ অক্টোবর শুক্রবার উপজেলার ভিন্ন ভিন্ন তিনটি কেন্দ্রে এক যোগে নাহার স্কলারশীপ নামীয় এ বৃত্তি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়।

স্থানীয় ৩৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মেধাবী ছাত্র/ছাত্রীদের অংশগ্রহনের মধ্য দিয়ে সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে শুরু হয়ে ১১টায় শেষ হয় এ বৃত্তি পরীক্ষা।

সীতাকুণ্ড কামিল এম.এ মাদ্রাসা, কুমিরা আবাসিক উচ্চ বিদ্যালয় ও ফৌজদারহাট কে.এম হাইস্কুল কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত বৃত্তি পরীক্ষায় সরকারী-বেসরকারী প্রাইমেরী, কিন্ডারগার্টেন ও উচ্চ বিদ্যালয়সমূহের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহন করে।

২০১৪ সালে নাহার একাডেমী’র উদ্যোগে ‘নাহার স্কলারশীপ-২০১৭’ নামে এ বৃত্তি পরীক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়।

প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও নাহার স্কলারশীপ কমিটির সভাপতি কাজী ছাব্বির আহমেদ বলেন, প্রথমবারই উপজেলার ৫০০ ছাত্র/ছাত্রী এ বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। এরপর ২০১৫ সালে ১১’শ ২০১৬ সালে ১১শ পঞ্চাশ ও সর্বশেষ ২০১৭ সালে ১২’শ শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।

তিনি বলেন, এ পর্যন্ত ২শ ৬৭ জন মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাধে প্রাইজবন্ড, ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়। আগামীতে পুরস্কারের হার আরও বৃদ্ধি করার পরিকল্পনা রয়েছে।

সীতাকুণ্ড কামিল এম.এ মাদ্রাসা কেন্দ্রের আহবায়ক পীরজাদা কাজী সাদেকুল ইসলাম বলেন, ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় নাহার স্কলারশীপ কার্যক্রম সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন করতে পেরে অংশগ্রহণকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষক শিক্ষিকা, শিক্ষার্থী-অভিভাবকসহ সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

উপজেলার তিন পরীক্ষা কেন্দ্র ঘুরে সু-শৃঙ্খল পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে দেখা যায়।

সীতাকুণ্ড কামিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে আসা অভিভাবক কলি সুলাইমান বলেন, আমার ছেলে এবারই প্রথম বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করেছে। তবে বেসরকারী উদ্যোগে এত বিশাল আয়োজন সুন্দর ও সুষ্ঠ পরিবেশে সম্পন্ন হতে দেখে খুব ভাল লাগছে।

জালাল আহমেদ ইন্টারন্যাশনাল কিন্ডারগার্টেন এর শিক্ষক ফাতেমা তু-জ্জোহরা দিনা বলেন, বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে ছাত্রদের পড়ালেখার অনুশীলন বৃদ্ধির পাশাপাশি বড় পরিসরে প্রতিযোগীতার অভিজ্ঞতা অর্জিত হয়। এছাড়া বৃত্তিপ্রাপ্ততদের অনুসরণে অন্য ছাত্র/ছাত্রীদের পড়ালেখার মানও ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পায়।