চট্টগ্রাম, , সোমবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৮

ইসির সঙ্গে আ.লীগের সংলাপ বুধবার

প্রকাশ: ২০১৭-১০-১৬ ১৪:০২:৫৮ || আপডেট: ২০১৭-১০-১৬ ১৪:০২:৫৮

সংবিধান অনুযায়ী বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচন এবং নির্বাচনে সরাসরি সেনা মোতায়েনের পরিবর্তে সেনাবাহিনীকে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে রাখার বর্তমান বিধানের পক্ষে অবস্থানের কথা ইসিকে জানাবে আওয়ামী লীগ।

১৮ অক্টোবর বুধবার সংলাপে যাবে আওয়ামী লীগ। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সংলাপে যেসব ইস্যু তুলে ধরা হবে, সেগুলো নির্ধারণ করতে শনিবার প্রধানমন্ত্রীর সরকারী বাসভবন গণভবনে ফাইনাল বৈঠক করেছে আওয়ামী লীগ।

বৈঠকে গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশে (আরপিও), অবাধ-সুষ্ঠু-নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করা, নির্বাচন হবে সংবিধান সম্মতভাবে, নির্বাচনে সেনাবাহিনী থাকবে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসাবে, সীমানা নির্ধারণ, ইভিএম পদ্ধতি ব্যবহার, নির্বাচনি ব্যয়-সংক্রান্ত ও নির্বাচন কমিশনের নেওয়া বিধি-বিধানের অসঙ্গতি নিয়ে সংলাপে আলোচনা করবে আওয়ামী লীগ।

এছাড়া নির্বাচনে দেশী-বিদেশী পর্যবেক্ষকরা কিভাবে থাকবেন, তাদের ভূমিকা কী হবে, সে বিষয়েও আলোচনা করা হবে ইসির সংলাপে। আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা গেছে, দলটির নির্বাচন পরিচালনা কমিটি ও আওয়ামী লীগের কয়েকজন প্রবীণ নেতা এরই মধ্যে একটি খসড়া প্রস্তাব তৈরি করে এসব বিষয় নিয়ে তারা নিজেদের মধ্যে আলাপ-আলোচনা করছেন।

ইসির সংলাপ সম্পর্কে আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ড. আবদুর রাজ্জাক বলেন, আমরা বৈঠক করেছি। আমাদের প্রস্তাব মোটামুটি ফাইনাল হয়েছে। আমরা এর আগে যেসব বিষয় নিয়ে ইসির সঙ্গে কথা বলেছি, সেসব বিষয় নিয়েই মূলত কথা হবে। আমাদের প্রস্তাবে খুব বেশি পরিবর্তন হচ্ছে না। তিনি বলেন, এবার আমরা ইভিএম ব্যবস্থা চালুর প্রস্তাব করব। যদি ইসি এ সময়ের মধ্যে করতে সক্ষম হয়, তাহলে আমরা এ পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণের প্রস্তাব রাখব।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক যোগাযোগ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে বিএনপির যে সংলাপ অনুষ্ঠিত হচ্ছে, তা ইতিবাচক সামনে আওয়ামী লীগের সঙ্গেও ইসির সংলাপ আছে। আমরা সংলাপে ১১ দফা উত্থাপন করব। সেগুলো নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলোচনা হবে’।

জানা গেছে, শরিক দলের নেতাদের অভিন্ন প্রস্তাব করতে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে দুটি পরামর্শ দেয়া হয়, সংবিধান অনুযায়ীই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন হতে হবে এবং নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা যাবে না তবে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে থাকবে সেনাবাহিনী। যদি প্রয়োজন হয় তাহলেই ডাকা হবে- এই দুটি বিষয়ে আওয়ামী লীগ নির্বাচন কমিশনে এমন প্রস্তাবই দেবে।