চট্টগ্রাম, , রোববার, ১৮ নভেম্বর ২০১৮

চট্টগ্রাম বন্দরের জন্য ৬টি গেন্ট্রি ক্রেন ক্রয়ের চু‌ক্তি

প্রকাশ: ২০১৭-১০-১৫ ১৪:০৮:৫৩ || আপডেট: ২০১৭-১০-১৬ ১০:১৯:২৬

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ (চবক) জাহাজ থেকে কন্টেইনার দ্রুত উঠানো-নামানোর জন্য ৩৪৪ কোটি ৯২ লাখ টাকা ব্যয়ে চীন থেকে ছয়টি রেল মাউন্টেড কী গেন্ট্রি ক্রেন ক্রয় করবে।

নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে রোববার সকা‌লে এ সংক্রান্ত এক চুক্তিপত্র স্বাক্ষরিত হয়।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এম খালেদ ইকবাল এবং চায়না কোম্পানি সাংহাই জেনহুয়া হেভি ইন্ডাষ্ট্রিজ কোম্পানি লিমিটেডের এক্সিকিউটিভ জেনারেল ম্যানেজার চ্যান কাই চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে নৌ পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আবদুস সামাদ উপস্থিত ছিলেন।

গেন্ট্রি ক্রেনগুলো চুক্তিপত্র স্বাক্ষরের দেড় বছরের মধ্যে পাওয়া যাবে। প্রতিটি ক্রেনের ধারণ ক্ষমতা ৪০ টন। একটি ক্রেনের ঘণ্টায় ২৫ থেকে ৩২ টুয়েন্টি ইক্যুইভেলেন্ট ইউনিটস (টিইইউস) কন্টেইনার হ্যান্ডলিং করার ক্ষমতা রয়েছে। ছয়টি কী গেন্ট্রি ক্রেন চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনালে (এনসিটি) সংস্থাপন করা হবে। এতে করে এক সঙ্গে তিনটি গিয়ারলেস জাহাজ হতে এনসিটিতে কন্টেইনার উঠানো-নামানো করা যাবে। এতে জাহাজের প্রোডাক্টিবিটি বৃদ্ধি পাবে এবং জাহাজের গড় অবস্থানকাল কমে আসবে। ফলশ্রুতিতে এনসিটি তথা চট্টগ্রাম বন্দরের কন্টেইনার হ্যান্ডলিং উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে।

মন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের প্রবেশদ্বার হিসেবে খ্যাত। দেশের মোট আমদানি-রপ্তানির প্রায় ৯২ শতাংশ এ বন্দরের মাধ্যমে হ্যান্ডলিং করা হয়ে থাকে। ফলে দেশের অর্থনীতিতে এই বন্দরের গুরুত্ব অপরিসীম।

শাজাহান খান বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিগত ২০১৬-২০১৭ অর্থ বছরে চবক এর কন্টেইনার ও কার্গো হ্যান্ডলিং এর জন্য ১৩৫ কোটি ৪২ লাখ টাকা ব্যয়ে মোট ৭১টি ইকুইপমেন্ট সংগ্রহ করা হয়েছে। এ ছাড়া ২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরে মোট ২৫১টি ইকুইপমেন্ট সংগ্রহের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এগুলোর মধ্যে এনসিটির জন্য ১৮টি, পতেঙ্গা কন্টেইনার টার্মিনালের জন্য ২৯টি এবং জেনারেল কার্গো বার্থ ও অন্যান্য ইয়ার্ডের জন্য ২২৯টি।

মন্ত্রী বলেন, ২০১৯ সালের মধ্যে পতেঙ্গা কন্টেইনার টার্মিনাল, ২০২০ সালের মধ্যে লালদিয়া টার্মিনাল এবং ২০২১ সালের মধ্যে ‘বে টার্মিনাল’ এর প্রথম ধাপ নির্মাণের লক্ষ্যমাত্রা আছে।

উল্লেখ্য, ২০০৫ সালে চট্টগ্রাম বন্দরে এ ধরনের চারটি ইকুইপমেন্ট সংগ্রহ করা হয়েছিল। বাংলাদেশের আর কোনো বন্দরে এ ধরনের ইকুইপমেন্ট নেই।