চট্টগ্রাম, , শুক্রবার, ১৭ আগস্ট ২০১৮

আনোয়ারায় মাদ্রাসা নিয়ে দু’পক্ষের বিরোধ, বিপাকে শিক্ষার্থী

প্রকাশ: ২০১৭-০৮-২৪ ১৮:২৯:২৯ || আপডেট: ২০১৭-০৮-২৪ ২২:১৩:৪২

আনোয়ারা প্রতিনিধি

আনোয়ারা উপজেলার একটি মাদ্রাসা নিয়ে দুপক্ষের বিরোধে, বিপাকে পড়েছে শিক্ষার্থীরা।

জানা যায়, আনোয়ারা উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের চুন্নাপাড়া মুনিরুল ইসলাম ফাজিল মাদ্রাসায় বুধবার দুপুরে মাদ্রাসার এক শিক্ষকের উপর হামলার ঘটনায় বৃহস্পতিবার এক পক্ষ মানববন্দন কর্মসূচি দিলে আরেক পক্ষ মাদ্রাসা বন্ধ করে তালা ঝুলিয়ে দেয়। পরে আনোয়ারার ইউএনও ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

সূত্র জানায়, বুহস্পতিবার সকালে আনোয়ারা উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের চুন্নাপাড়া মুনিরুল ইসলাম ফাজিল মাদ্রারাসার শিক্ষক মাওলানা আবদুল করিমের উপর হামলা এবং মাদ্রাসা কক্ষে তালা ঝুলিয়ে অনির্দিষ্ট কালের বন্ধ ঘোষনার প্রতিবাদে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের একাংশের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওইসময় আনোয়ারার ইউএনও গৌতম বাড়ৈ, আনোয়ারা উপজেলা মধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ড. সেলিম রেজা ও আনোয়ারা থানার এস আই জাহাঙ্গীর আলম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এতে ওই অংশের দাবী চুন্নাপাড়া মাদ্রাসায় দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা দুইপক্ষে বিরোধীতার রেশধরে বুধবার আরবি প্রভাষক মাওলানা আবদুল করিমকে বহিরাগত ছাত্র নামধারী কিছু কতিপয় লোকজন হামলা করেন এবং মাদ্রাসায় তালা ঝুলিয়ে দেয়।

ওই সূত্র আরো জানায়, ইতিমধ্যে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মহিউদ্দিন হাশেমীকে বহিস্কার করে বাংলার প্রভাষক শেখ কামাল হোসেনকে দায়িত্বভার দিলে দুজনেই নিজেদের মাদ্রাসার অধ্যক্ষ দাবী করে আসছিলেন। ফলে মাদ্রাসার শিক্ষকেরা দুভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েন।

এ ব্যাপারে নিজেকে শেখ কামাল হোসেন বলেন, মাদ্রাসার শিক্ষকের উপর হামলার প্রতিবাদে আমরা কর্মসূচি দিলে একটি পক্ষ বিনা নোটিশে অনির্দিষ্টকালের জন্য মাদ্রাসা বন্ধ রাখার ঘোষণা করে। তাই আমরা মানববন্দন কর্মসূচি পালন করি।

আনোয়ারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা গৌতম বাড়ৈ বলেন, কোন অবস্থাতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা রাখা যাবেনা। শুক্রবার দুই পক্ষকে নিয়ে বৈঠক করা হবে।