চট্টগ্রাম, , মঙ্গলবার, ২০ নভেম্বর ২০১৮

মানিকছড়িতে কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রান্তিক কৃষকদের সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশ: ২০১৭-০৮-২৮ ১৯:৩৭:৪১ || আপডেট: ২০১৭-০৮-২৮ ১৯:৩৭:৪১

কৃষি প্রদশর্ণীর উপকরণ ও নগদ অর্থ লুটপাটের অভিযোগে

মানিকছড়ি(খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি

মানিকছড়ি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কৃষি প্রদশর্ণীর উপকরণ ও নগদ অর্থ লুটপাটের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন উপজেলার প্রান্তিক কৃষকরা। সোমবার বিকাল সাড়ে ৪টায় উপজেলা প্রেস ক্লাবে অনুষ্টিত সংবাদ সম্মেলনে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা লিখিত অভিযোগে বলেন, গত ৫ বছরে কৃষি কর্মকর্তা বিভিন্ন অনিয়মের আশ্রয় নিয়ে কৃষকদের সাথে প্রতারণার করে ২০১৬-১৭ অর্থবছরের রাজস্ব খাতের অর্থায়ণে খরিপ-১ এর মওসুমে আউশ, মাল্টা, লাইপ পার্চিং,আম,ি তল, ভুট্টাসহ শতাধিক প্রদর্শীনতে কৃষকদের জন্য সরকারি বরাদ্দ সার-কীটনাশক, বীজ সংরক্ষণ, আন্তঃ পরিচর্যার নগদ অর্থ, প্রশিক্ষণ ও পরিবহন ভাতাসহ যাবতীয় সরকারি সুযোগ-সুবিধা লুটপাট করেছেন কৃষি কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম স্বয়ং নিজে!

উপজেলা প্রেস ক্লাবে অনুষ্টিত সংবাদ সম্মেলনে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন উপজেলার প্রান্তিক কৃষক মো.মোখলেছুর রহমান। তিনি বলেন, উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম ২০১২ সালে কর্মস্থলে যোগদান করার পর হতে উপজেলার প্রান্তিক কৃষকরা নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে আসছে। এমনকি কৃষি কর্মকর্তা সরকারি বাসা-ভাড়া ফাঁকি দিয়ে অফিস কক্ষ’কে বাসা হিসেবে এবং সরকারি টেলিফোনকে বিকল্প লাইন দিয়ে তাঁর বাসা-বাড়িতে ব্যবহার করে আসছেন। বিগত সময়ে উপজেলা,ইউনিয়ন পর্যায়ে সার ডিলার নিয়োগে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। তাঁর এসব অনিয়ম নিয়ে অভিযোগ হলে জেলা কর্মকর্তারা সত্যতা পেলেও অজ্ঞাত কারণে অভিযোগের ফাইলটি লাল ফিতায় বন্দি করে রেখেছেন!

ফলে কৃষি কর্মকর্তা আরো বেপরোয়া হয়ে ২০১৬-১৭ অর্থবছরের রাজস্ব খাতের অর্থায়ণে খরিপ-১ এর মওসুমে উপজেলার প্রান্তিক কৃষকদের অনুকূলে আউশ, মাল্টা, লাইপ পার্চিং,আম, তিল, ভুট্টাসহ শদাধিক প্রদর্শীনতে কৃষকদের জন্য সরকারি বরাদ্দ সার-কীটনাশক, বীজ সংরক্ষণ, আন্তঃ পরিচর্যার নগদ অর্থ, প্রশিক্ষণ ও চারা,বীজ পরিবহন ভাতার লক্ষ লক্ষ টাকা লুটপাট করতে দ্বিধা করেনি! এতে করে তৃণমূলের কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্তরের পাশাপাশি প্রদশর্ণীতে কৃষকরা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ফলে উপজেলায় আউশ,মাল্টা, লাইপ পার্চিং,আম,তিল, ভুট্টা চাষাবাদে ধস নেমেছে। উল্লেখিত প্রদশর্ণীগুলোতে কৃষি বান্ধব সরকার বীজ সরবরাহের পাশাপাশি পর্যাপ্ত সার,ওষধ, কীটনাশক, পরিচর্যায় নগদ অর্থ, বীজ সংরক্ষণে ড্রাম, পরিবহন ব্যয়, গর্ত তৈরি, খুঁটি ক্রয়, ক্ষেত্র বিশেষে চারা উৎপাদনে অর্থ বরাদ্দ থাকলেও তিনি কাউকে সরকারি সুযোগ-সুবিধার তথ্য না জানিয়ে পক্ষান্তরে নামমাত্র কিছু বীজ সরবরাহ কৃষকদের উৎপাদিত ফসলে নিজেদের সফলতা দাবী করে উধর্বতন কর্মকর্তাদের কাছ থেকে নিজে বাহবা নিয়েছেন। সংবাদ সম্মেলনে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা কৃষকলেিগর সভাপতি মো. শাহ আলম, কৃষক মো. মোখলেছুর রহমান, খোরশেদ আলম, অংচা দেওয়ান, মো. আমিনুল ইসলাম, মো. রফিক, মো. মনির হোসেন, মো. রফিকুল ইসলাম, আথৈইপ্রু মারমা, মো. বিল্লাল হোসেন, আবু তাহের, শহিদুল ইসলাম, ও মো. বেলাল উদ্দীন প্রমূখ।