টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

নিজেকে নির্দোষ দাবি করলেন বাবুল আক্তার

চট্টগ্রাম, ১১ জুলাই ২০১৭ (সিটিজি টাইমস): মাহমুদা খানম মিতু হত্যার সাথে নিজের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করে তার স্বামী সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তার বলেছেন, ‘তিনি নির্দোষ।’

তদন্ত কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলতে মঙ্গলবার বিকেল পৌনে চারটায় কালো রঙের একটি গাড়িতে চড়ে চট্টগ্রাম নগর গোয়েন্দা পুলিশ কার্যালয়ে আসেন তিনি। এরপর চট্টগ্রাম মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-কমিশনার (উত্তর) মো. কামরুজ্জামানের কক্ষে প্রবেশ করেন। এরআগে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে হাত মেলালেও কোন কথা বলেননি তিনি। রাত ৮টায় তদন্ত কর্মকর্তার কক্ষ থেকে বের হন বাবুল আক্তার।

এসময় বাবুল আক্তার বলেন, ‘মামলার খোঁজখবর নিতে এসেছি। তদন্ত কর্মকর্তা যা জানতে চেয়েছেন তা জানিয়েছি।’

মিতু হত্যায় জড়িত থাকা নিয়ে শ্বশুরের অভিযোগ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নে বাবুল আক্তার বলেন, ‘কে দোষী তা তদন্তে প্রমাণ হবে। আমি নির্দোষ।’

মিতু হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা চট্টগ্রাম মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-কমিশনার (উত্তর) মো. কামরুজ্জামান বলেন, ‘মামলার তদন্ত শেষ পর্যায়ে রয়েছে। তিনি (বাবুল আক্তার) মামলার বাদী। তাই কিছু কথা বলার জন্য ডাকা হয়েছে। তিনি কিছু তথ্য দিয়েছেন।’

এর আগে ২০১৬ সালের ৫ জুন চট্টগ্রামের জিইসি মোড়ে ছেলেকে স্কুল বাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে বাসার অদূরে গুলি চালিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয় বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতুকে। এ ঘটনায় বাবুল আক্তার অজ্ঞাতপরিচয় তিন ব্যক্তির বিরুদ্ধে পাঁচলাইশ থানায় মামলা করেন। এরপর গত বছরের ২৪ জুন মধ্যরাতে ঢাকার বনশ্রী এলাকার শ্বশুরবাড়ি থেকে বাবুল আক্তারকে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ। প্রায় ১৫ ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে আবার বাসায় পৌঁছে দেওয়া হয়। ওই সময়ে তাকে গোয়েন্দা পুলিশ কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে নানা গুঞ্জন ছড়ায়। ৬ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, ‘বাবুলের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে চাকরিচ্যুত করা হলো।’

সম্প্রতি মাহমুদা খানমের বাবা-মা তাদের মেয়ের হত্যাকান্ডের জন্য বাবুল আক্তারের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছেন। এর আগে শ্বশুর বাড়ির সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হলে বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি নিয়ে এ বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে দুই ছেলে-মেয়েকে নিয়ে আলাদা বাসায় ওঠেন বাবুল।

মতামত