টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

দুই মন্ত্রণালয়ে ৩০০০ কোটি টাকা চেয়ে মেয়র নাছিরের চিঠি

চট্টগ্রাম, ০৭  জুলাই ২০১৭ (সিটিজি টাইমস):  সরকার প্রতিশ্রুত উন্নয়ন কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখার জন্য অর্থমন্ত্রণালয়ের কাছে ২ হাজার ৫০০ কোটি এবং অতিবর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত নগরীর ১৫টি সড়ক জরুরি ভিত্তিতে মেরামতের জন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের কাছে ৫০০ কোটি টাকা চেয়েছেন মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন।

সোমবার (০৩ জুলাই) দুই মন্ত্রণালয়ে উপানুষ্ঠানিক চিঠি দুটি দেন তিনি। শুক্রবার (০৭ জুলাই) সকালে নগর ভবনের মেয়র দপ্তরে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নীতি নির্ধারণী সভায় মেয়র এসব তথ্য জানান।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের অবকাঠামোয় (রাস্তা, ড্রেন, কালভার্ট,ব্রীজ) বিভিন্ন সরকারী সংস্থা কর্তৃক নিজস্ব উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের পূর্বে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশকে অবগত করন এবং ছাড়পত্র গ্রহণ প্রসঙ্গে ৩ জুলাই ২০১৭ খ্রি. তারিখে স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত মাননীয় মন্ত্রী,পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত মাননীয় মন্ত্রী, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত মাননীয় মন্ত্রী, স্থানীয় সরকার বিভাগের মাননীয় সচিব, পরিকল্পনা মন্ত্রনালয়ের মাননীয় সচিব,ভৌত অবকাঠামো বিভাগ এর সদস্য এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রনালয়ের সচিব বরাবরে প্রেরিত উপানুষ্ঠানিক পত্র প্রেরণের বিষয় সহ চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষে সংশ্লিস্ট মন্ত্রনালয়ে পেশকৃত ৫ হাজার ৭ শত কোটি টাকার মেগাপ্রকল্প সংক্রান্ত বিষয়ের উপর আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) পেশকৃত প্রকল্পগুলোর সাথে যাতে চসিক এবং অন্যান্য সংস্থার দাখিলকৃত প্রকল্পগুলোর মধ্যে পুনরাবৃত্তি বা সাংঘর্ষিক না হয় সে বিষয়টি বিবেচনায় এনে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পেশকৃত সব প্রকল্পের বিষয়বস্তু খতিয়ে দেখার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

সভায় সিডিএ বা অন্য কোনো সংস্থা কর্তৃক চট্টগ্রাম নগরীর উন্নয়ন সংক্রান্ত, অবকাঠামোগত অথবা অন্য যেকোনো প্রকল্প গ্রহণ এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পেশ করার আগে সংশ্লিষ্টদের গৃহীত এবং প্রস্তাবিত প্রকল্পগুলোর বিষয়ে চসিককে অবগত করা এবং ছাড়পত্র গ্রহণের সরকারি নির্দেশনা কঠোরভাবে মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়।

চসিকের নীতি নির্ধারণী সভায় অন্যদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সামসুদ্দোহা, প্রধান প্রকৌশলী লে. কর্নেল মহিউদ্দিন আহমেদ, প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মো. সাইফুদ্দিন, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. রফিকুল ইসলাম, মনিরুল হুদা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

মতামত