টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

দুঃসময়টা বিএনপির বাংলাদেশের না: প্রধানমন্ত্রী

চট্টগ্রাম, ১৬ জুন ২০১৭ (সিটিজি টাইমস):: বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ্য করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘দুর্নীতি করে এতিমের টাকা যারা চুরি করে খেয়েছে। আর মামলা মোকাবিলা করতে ভয় পায়। ১৪০ বার সময় নিয়ে ১৫০ বার উচ্চ আদালতে রিট করে হেরে যায়। দুঃসময়টা তাদের। বাংলাদেশের না।

বৃহস্পতিবার সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমের সিটি কনফারেন্স সেন্টারে প্রবাসী বাংলাদেশীদের এক সংবর্ধনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।ইউরোপের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা প্রবাসীরা এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য দেশকে উন্নত করা আর বিএনপির উদ্দেশ্য দেশকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যাওয়া। খালেদা জিয়ার হৃদয়ে বাংলাদেশ নাই। তার হৃদয়ে পেয়ারে পাকিস্তান। বাংলাদেশের কোনো উন্নয়ন হলে উনার ভাল লাগে না। উনি খালি দেখেন ধ্বংসই হয়ে যাচ্ছে। আজকেও এ ধরনের কি এক বক্তৃতা দিয়েছেন। বাংলাদেশের নাকি খুব খারাপ অবস্থা।’

খালেদা জিয়ার সমালোচনার মধ্যে তার স্বামী জিয়াউর রহমান ও ছেলে তারেক রহমানের প্রসঙ্গও আসে প্রধানমন্ত্রীর কথায়।
‘সে যেমন ম্যাট্রিক ফেল, অবশ্য জিয়াউর রহমান ম্যাট্রিক পাস, আর তার ছেলে কদ্দুর পাস তা আর আমি বলতে চাই না। আপনারাই ভাল জানেন। কাজেই এই হল তাদের অবস্থা।

‘তারা অর্থ-সম্পদ ওইগুলি শিখেছে, হাওয়া ভবন খুলে পাওয়া-নেওয়া বুঝেছে, কমিশন নেওয়া বুঝেছে, দুর্নীতি করা বুঝেছে। বাংলাদেশের জনগণ যখন ভাল থাকে তখন উনার ভাল মনে হয় না। লুটপাট করতে পারলেই তার ভাল লাগবে। মানুষ খুন করতে পারলেই তাদের ভাল লাগবে। দেশের সম্পদ ধ্বংস করতে পারলে তখন তার ভাল লাগে।’

বিএনপি চেয়ারপারসনের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমি বলব, এইসব পথ ছেড়ে দিয়ে সঠিক, সুস্থ রাজনীতির পথে আসুক। ২০১৪ এর নির্বাচনে না গিয়ে যে ভুল করেছে ভবিষ্যতে যেন আর সেই ভুল না করে। বরং নির্বাচনে আসুক। গণতান্ত্রিক ধারাটা যেন অব্যাহত থাকে, এই খুন খারাবির পথ যেন তারা পরিহার করে- সেটাই আমরা চাই।’

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের নীতি বাংলাদেশ ভিক্ষা করে নয়, আমরা নিজের পায়ে দাঁড়াব, মর্যাদা নিয়ে বাঁচব।

তিন দিনের সরকারি সফরে মঙ্গলবার রাতে লন্ডন হয়ে স্টকহোমে আসেন শেখ হাসিনা। বাংলাদেশের কোনো প্রধানমন্ত্রীর সুইডেনে এটাই প্রথম সরকারি সফর। সফর শেষে শুক্রবার ঢাকার পথে স্টকহোম ছাড়বেন প্রধানমন্ত্রী। শনিবার লন্ডন হয়ে তার দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

মতামত