টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

‘বন্দরনগরীর পাহাড়ে বসবাসে রাজনৈতিক ছত্রছায়া থাকলে ব্যবস্থা’

চট্টগ্রাম, ১৫ জুন ২০১৭ (সিটিজি টাইমস)::  পাহাড়ে ঝুঁকি নিয়ে বসবাসে কোনো রাজনৈতিক ছত্রছায়া থাকলে তা কঠোরভাবে দমন করা হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। এখনো যারা ঝুঁকি নিয়ে পাহাড়ে বসবাস করছেন তাদের পুনর্বাসনের জন্যে চট্টগ্রামের মেয়রকে উদ্যোগ নিতে বলেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের মতিঝর্ণা ও বাটালি হিল পরিদর্শন শেষে এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।

সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে মানুষ বসবাস করছে। এতে লাখ লাখ মানুষের জীবন ঝুঁকিতে আছে। এসব অবৈধ বসতি উচ্ছেদ করতে গেলে কেউ যদি রাজনৈতিকভাবে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করে বাধা সৃষ্টি করে তাদের কঠোরভাবে দমন করা হবে।’

এর আগে সকাল ১০টায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এসব পাহাড়ে ঝুঁকি নিয়ে বসবাসকারী লোকজনের সাথে কথা বলেন।

এই সময় চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক, মেয়র এবং পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এই সময় নগরবাসীর প্রধান সমস্যা জলাবদ্ধতা নিরসনে দ্রুত উদ্যোগ দিতে মেয়রকে নির্দেশ দেন মন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, ‘পাহাড় ধসে যারা দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন তাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু। প্রাকৃতিক দুর্যোগ থাকবে কিন্তু দুর্যোগ মোকাবেলার ক্ষেত্রে আমরা প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা না নিয়ে রি-অ্যাকটিভ (প্রতিক্রিয়ামূলক) ভূমিকা পালন করছি। বাট আওয়ার রুল শুড বি প্রো-অ্যাকটিভ।’

সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘এ ধরনের দুর্যোগ যে আগামী বছর হবে না তা আমরা হলফ করে বলতে পারি না। এ দুর্যোগের জন্য আমি দায়ী করবো অপরিকল্পিত বসতি ও আমাদের মানসিকতা। গরিব মানুষ জানমালের ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও বসতি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে চায় না। আমাদের উচিত যেতে না চাইলেও তাদেরকে জোর করে হলেও নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে যেতে হবে। এছাড়া যারা উদ্ধার হয়েছে তাদেরকে বিকল্প পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে।’

রাঙামাটিতে বেশি প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার কারণ হিসেবে ওবায়দুল কাদের বলেন, রাঙামাটিতে প্রতিরোধমূলক দেয়াল বা রিটেইনিং ওয়াল ছিল না।

তিনি বলেন, ‘ঝুঁকিপূর্ণ বসতিগুলো শুধুমাত্র শহরে নয় গ্রামেও রয়েছে। এখনও যেসব পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ বসবাস রয়েছে সেগুলো অবিলম্বের সরাতে হবে।’

মতামত