টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

বিশ্ব মিডিয়ায় চট্টগ্রামের পাহাড় ধসে হতাহতের খবর

চট্টগ্রাম, ১৪ জুন ২০১৭ (সিটিজি টাইমস): দুদিনের টানা বর্ষণে পাহাড় ধসে রাঙামাটি, বান্দরবান এবং চট্টগ্রামে এ পর্যন্ত ৪ সেনা সদস্যসহ ১৩১ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ভয়াবহ এই বিপর্যয়ে আরো বহু আহত এবং নিখোঁজ রয়েছে।

লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। এ যেন তিনজেলার পাড়াড়ি এলাকা মৃত্যুপুরিতে পরিণত হয়েছে। এতো প্রাণহানির ঘটনায় দেশেজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সেই সঙ্গে বিশ্বের বিভিন্ন মিডিয়ায় গুরুত্ব সহকারে প্রকাশ পেয়েছে এই ট্রাজেডির খবর।

এরই মধ্যে বিবিসি, সিএনএন, আল জাজিরা, দ্য নিউইয়র্ক টাইমস. গালফ নিউজ, দ্য গার্ডিয়ান, দ্য হিন্দুস্তান টাইমস, ডয়েচে ভেলে, আনন্দবাজার, টাইমস অব ইন্ডিয়ার মতো প্রভাবশালী আন্তর্জাতিক মিডিয়াগুলো এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করেছে।

পাশাপাশি এপি, রয়টার্স ও এএফপির মতো আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থাগুলোও দ্রুততম সময়ে এই হতাহতের খবর ছড়িয়ে দিয়েছে।

‘ডজেনস কিলড ইন বাংলাদেশ ল্যান্ডস্লাইডেস আফটার হেভি রেইন’ শিরোনামে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ গণমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মাটির নিচে অসংখ্য ঘরবাড়ি চাপা পড়ায় মৃতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে কর্তৃপক্ষ।

‘ডজেনস কিলড ইন বাংলাদেশ ল্যান্ডস্লাইডেস’ শীর্ষক শিরোনামে বিবিসি ওয়ার্ল্ডের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারি বৃষ্টির কারণে সৃষ্ট পাহাড়ধসে বাংলাদেশে ৯০ জনের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। শুধু রাঙ্গামাটিতেই ৬০ জনের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। খারাপ আবহাওয়ার কারণে উদ্ধার কাজ ব্যাহত হচ্ছে।

ভারতের বহুল প্রচারিত বাংলা দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা এ সংক্রান্ত বলা হয়েছে, নিহতদের মধ্যে অন্তত তিনজনের গাছ ভেঙে, দেয়াল চাপা পড়ে এবং বজ্রপাতে মৃত্যু হয়েছে।

ভারতের আরেক প্রভাবশালী দৈনিক টাইমস অব ইন্ডিয়ার এ সংক্রান্ত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভূমিধসের ঘটনার পর পুলিশ ও সেনাবাহিনী ত্রাণ নিয়ে দুর্গত এলাকায় পৌঁছানোর জোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাহাড় ধ্বসের ঘটনায় এখনো অনেক লোক নিখোঁজ রয়েছে। বার্তা সংস্থা এপি এ সংক্রান্ত খবরে বলেছে, স্থানীয় গণমাধ্যম বলছে হতাহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে। ইতিমধ্যে ঘটনায় আহত পাঁচ সেনা সদস্যকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার সামরিক হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে।

এছাড়াও বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পত্রিকা ও টেলিভিশনে গুরুত্ব সহকারে এই সংবাদের বুলেটিন প্রকাশ করেছে।

মতামত