টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

বান্দরবানের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ

চট্টগ্রাম, ১৩ জুন ২০১৭ (সিটিজি টাইমস):টানা বর্ষণের কারণে সড়কে গাছ উপড়ে পড়ে এবং পাহাড় ধসের কারণে বান্দরবানের সঙ্গে চট্টগ্রাম ও রাঙামাটির সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে।

মঙ্গলবার সকালে বান্দরবান-চট্টগ্রাম সড়কের মেঘলা এলাকায় গাছ পড়ে ও পাহাড় ধসে বান্দরবানের সঙ্গে চট্টগ্রামের এবং বান্দরবান-রাঙামাটি সড়কের পলুপাড়া এলাকায় বন্যার পানিতে ব্রিজ তলিয়ে যাওয়ায় বান্দরবানের সঙ্গে রাঙামাটির সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত তিনদিনের টানা বর্ষণের ফলে সৃষ্ট পাহাড়ি ঢলে বান্দরবানের লামা পৌর এলাকাসহ উপজেলার সাতটি ইউনিয়ন, আলীকদম ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বিভিন্ন নিচু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। লামার মাতামুহুরী নদী, লামাখাল, ইয়াংছা খাল, বগাইছড়ি খাল ও পোপাখালসহ পাহাড়ি বিভিন্ন ঝিরিগুলোতে পানি বৃদ্ধি পেয়ে গৃহবন্দি হয়ে পড়েছেন প্রায় ১০ হাজার মানুষ। কর্মহীন হয়ে পড়েছেন শ্রমজীবী মানুষ।পানির স্রোতে সড়ক ভেঙে ও সড়কের ওপর পাহাড়ের মাটি ধসে পড়ে অভ্যন্তরীণ সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। বান্দরবানের ওয়াইজংশন এলাকার পাঁচ কি.মি. এলাকায় পাহাড় ধসে জেলার সঙ্গে রুমা উপজেলার সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

আরো জানা গেছে, লামা-আলীকদম সড়কের বিভিন্ন পয়েন্ট পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় আলীকদমের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। বাজারের ব্যবসায়ীরা তাদের মালামাল এবং উপজেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি দপ্তরসমূহ বন্যার আশঙ্কায় মালামাল ও নথিপত্র নিরাপদে সরাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন।

লামা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান থোয়াইনু অং চৌধুরী জানান, বন্যাকবলিতদের জন্য আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। ইতিমধ্যে পৌর এলাকাসহ ইউনিয়নগুলোতে মাইকিং করে জনসাধারণকে নিরাপদে আশ্রয় নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।

এদিকে জেলার অন্যতম নদী সাঙ্গুনদীতে পানি বাড়ার কারণে সোমবার সকাল থেকে বান্দরবান সদরের মেম্বারপাড়া, মধ্যমপাড়া, ইসলামপুর, বনানী স’মিল এলাকা, হাফেজ ঘোনা ও আর্মিপাড়া এলাকা ডুবে গেছে। থানচি উপজেলার রেমাক্রি, ছোটমদক ও বড়মদক এলাকায় পর্যটকবাহী নৌ চলাচল বন্ধ রয়েছে। নদীটিতে পানি বাড়ার কারণে বান্দরবান জেলা সদরের আরো নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হবার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

বান্দরবান এসআলম পরিবহণ বাস সার্ভিসের ম্যানেজার মো. আইয়ুব বলেন, সড়কে প্রতিবন্ধকতা থাকার কারণে বান্দরবান থেকে কোনো গাড়ি ছেড়ে যাচ্ছে না।

মতামত