টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

আগামী বছর জলাবদ্ধতার থেকে মুক্তি পাবে মানুষ : নাছির

চট্টগ্রাম, ১২ জুন ২০১৭ (সিটিজি টাইমস):  মহেশখাল খনন, অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ, দুপাড়ে রাস্তা নির্মাণ, এক্সেস রোড উঁচু করে পরিকল্পিত ড্রেনেজ সিস্টেম আগামী বছর বর্ষা মৌসুমের আগে সম্পন্ন করা গেলে জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ ও দুর্গতি থেকে মানুষ মুক্তি পাবে বলে জানিয়ে মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন  বলেন, গত বছর এভাবে পানি এখানে ওঠেনি। এ বছর পানির পরিমাণটা বৃদ্ধি পেয়েছে। এটার পেছনে অনেকের ধারণা, মহেশখালের মুখে অস্থায়ী যে বাঁধ চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের অর্থায়নে দেওয়া হয়েছে তার প্রভাব। যদিও এটা নিয়ে যথেষ্ট বিতর্ক আছে। এ ব্যাপারে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

তিনি আরো বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ড, বন্দর কর্তৃপক্ষ, চসিকসহ আরও বেশ কিছু সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান বৈঠক করে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত নিয়েছি বাঁধটি যত দ্রুত সম্ভব অপসারণ করা হবে। জনস্বার্থে বাঁধটি তৈরি হলেও এখন সেভাবে সুফল পাওয়া যাচ্ছে না। সে কারণে অপসারণের জন্য বন্দর কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানিয়েছি।‍ বন্দরের বোর্ড সভায় ইতিমধ্যে বাঁধ ভাঙার ব্যাপারে একমত হয়েছি। নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিয়ে দ্রুত বাঁধটি অপসারণ হবে। মন্ত্রী মহোদয়ের সঙ্গে বন্দর চেয়ারম্যানের কথা হয়েছে।

সোমবার (১২ জুন) দুপুরে আগ্রাবাদ এক্সেস রোডের বেপারি পাড়া অংশ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় চসিকের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির সভাপতি শৈবাল দাশ সুমন, কাউন্সিলর নাজমুল হক ডিউক, এইচএম সোহেল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

দুপুর ১২টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় ১৭৭ দশমিক ৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস। মৌসুমি নিম্নচাপের ফলে সমুদ্রবন্দরগুলোতে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেতের কারণে সাগর উত্তাল ও জোয়ার আসায় এবং মহেশখালের অস্থায়ী বাঁধের কারণে অন্তত পাঁচ লাখ লোক জলাবদ্ধতার শিকার হন।

এক্সেস রোডে কার্যত যান্ত্রিক যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। রিকশা ও ভ্যানগাড়িই ছিল এলাকাবাসীর ভরসা। সড়কের ওপর দেখা গেছে বেশ কয়েকটি নৌকা-সাম্পানের চলাচলও।

 

মতামত