টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

প্রথমবারের মতো হালদার তলদেশে পরীক্ষা নিরীক্ষা

চট্টগ্রাম, ১০ জুন ২০১৭ (সিটিজি টাইমস): হালদা নদীতে এই প্রথম মা-মাছের বাসস্থানের গভীরতা এবং মাটি নির্ণয় করেন ইছাবেলা ফাউন্ডেশন ও নদী গবেষণা ইউনিষ্টিউট অব বাংলাদেশ। আজ (শনিবার) ১০ ই জুন সকাল ৯ টা থেকে বিকাল ২ টা পর্যন্ত অত্যাধুনিক উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন যন্ত্রপাতি দ্বারা ইছাবেলা ফাউন্ডেশনের বিশেষজ্ঞরা বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষা পরিচালনার মাধ্যমে খুজে বের করতে চেষ্টা করেছেন হালদার মা-মাছের ক্রমাগত কমে যাওয়ার কারন। তার মধ্য উল্লেখযোগ্য স্থান আলমের কুম এবং নাপিতের ঘাটা।

গবেষণার সময় উপস্থিত ছিলেন, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মহাপরিচালক (প্রশাসন) কবির বিন আনোয়ার,চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোঃ জিল্লুর রহমান, হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার আক্তার উননেছা শিউলী, রাউজান উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ শামীম, হালদা গবেষক ড. মনজুর কিবরিয়া, প্রাণীবিদ্যার গবেষক ও ইছাবেলা ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. আনিসুজ্জামান খান, ইছাবেলা ফাউন্ডেশনের সদস্য ফজলে রাব্বি, সাকিল আহমেদ, আন্ডারওয়াটার এক্সপ্লোরার এস,এম আতিকুর রহমান, শরীফ সারওয়ার,

১০নং উত্তর মাদার্শা চেয়ারম্যান মোঃ মনজুর হোসেন চৌধুরী মাসুদ, হাটহাজারী উপজেলা মৎস অফিসার মোঃ আজহারুল আলম ও রাউজান উপজেলা মৎস অফিসার মোঃ আমিনুল ইসলাম।

ড. মনজুর কিবরিয়া বলেন, প্রায় ১৭ বছর ধরেই আমি হালদা নদী নিয়ে গবেষণা করছি, এবং এই গবেষণা শুধু পানির উপরিভাগ পর্যন্ত সীমাবদ্ধ ছিল। হালদা গবেষণার ইতিহাসে এই প্রথমবারের মত আন্ডারওয়াটার এক্সপ্লোরার এর সাহায্যে নদীর তলদেশ পর্যবেক্ষণ করা হবে,এবং মাছের জন্য নিরাপদ স্থান নির্ণয় করা হবে।

আন্ডারওয়াটার এক্সপ্লোরার এস. এম আতিকুর রহমান বলেন, হালদা হল মাছের জন্য একটি আদর্শ স্থান। এখানে মাছেরা ১৯ টি পয়েন্টে বসবাস করে। এখন আমরা গবেষণার মাধ্যমে খুজে বের করব নদীর তলদেশে মাছের জন্য নিরাপদ স্থান গুলা এবং মা-মাছেরা যেখানে বসবাস করে সেখানের গভীরতা।

প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মহাপরিচালক (প্রশাসন) কবির বিন আনোয়ার বলেন, হালদা হল মাছেদের জন্য নির্ভরযোগ্য একটি জায়গা, নদীর এই জায়গাকে স্থানীয় ভাষায় কুম বলা হয়। আমরা এই কুমের মাটি ল্যাবে নিয়ে পরীক্ষা করব। হালদা হল কার্প জাতীয় মাছের জন্য প্রাকৃতিক প্রজনন কেন্দ্র। কিন্তু কিছু অসাধু মানুষের কারনে এটি দিন দিন দূষিত এবং ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আমরা সবাই মিলে একতাবদ্ধ হয়ে কাজ করলে ইনশাল্লাহ হালদা কে আবার আগের অবস্থানে ফিরিয়ে আনতে পারব।

মতামত