টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

কাতারের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে যাচ্ছে না সৌদি

চট্টগ্রাম, ০৭ জুন ২০১৭ (সিটিজি টাইমস):: পররাষ্ট্রমন্ত্রী আদেল আল-জুবায়ের কাতারের চলমান সংকট নিয়ে বলেছেন, আশাকরি কাতারের বিরুদ্ধে সামরিক হামলার দরকার হবে না। তারা হামাস ও মুসলিম ব্রাদারহুডকে সাপোর্ট করা থেকে ফিরে আসবে।

মঙ্গলবার রিয়াদে গণমাধ্যমে এসব কথা বলেন, সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, কাতারকে ঠিক করতে হবে, সে কোন পথে যেতে চায় । কাতারের বিরুদ্ধে নানা কড়া পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। এগুলোর ধকল দেশটি সইতে পারবে না।

তিনি আরো বলেন, আমাদের সঙ্গে কাতারের চলমান সংকট নিরসনের জন্য দোহাকে কথিত ‘সন্ত্রাসী গোষ্ঠী’ গুলোর প্রতি সমর্থন বন্ধ করতে হবে। কাতারের আচরণে সৌদি আরবের সহ্যের বাধ ভেঙে গেছে এবং দোহাকে অবশ্যই হামাস ও ইখওয়ানুল মুসলেমিনের মতো সংগঠনের প্রতি সমর্থন বন্ধ করতে হবে।

সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেন, চারটি আরব দেশ কাতারের ক্ষতি করার জন্য দেশটির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেনি। তবে কাতারকে তার পথ বেছে নিতে হবে।

কাতারের রাজধানী দোহায় বর্তমানে ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের সদরদপ্তর অবস্থিত। ২০১১ সালে সিরিয়ায় বিদেশি মদদে সহিংসতা শুরু হলে সংগঠনটি তাদের দপ্তর দামেস্ক থেকে দোহায় স্থানান্তর করে।

ইহুদিবাদী ইসরাইলের বিরুদ্ধে যেসব ফিলিস্তিনি সংগঠন নিজেদের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে প্রতিরোধ সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে হামাস তাদের অন্যতম। এতদিন শুধু ইহুদিবাদী ইসরাইল ও তার পশ্চিমা মিত্ররা হামাসকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী বলে অভিহিত করত। এবার সৌদি আরব প্রকাশ্যে এটিকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে অভিহিত করে তাকে সমর্থন দেয়ার দায়ে কাতারকে শাস্তি দিল।

প্রসঙ্গত, সোমবার সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও মিশর কাতারের সঙ্গে সব ধরনের সম্পর্ক ছিন্ন করে। এ ছাড়া, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইন তাদের সব জল, স্থল ও আকাশপথ কাতারের জন্য বন্ধ করে দেয়। গতমাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সৌদি আরব সফরের একদিন পর থেকে পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে কাতারের সম্পর্কে টানাপড়েন শুরু হয়।

মতামত